ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে জাতীয় দৈনিক কালবেলা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে কসবা প্রেসক্লাবের সম্মেলনকক্ষে কেক কাটা, মিষ্টি বিতরণ ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে দিবসটি উদ্যাপন করা হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে সৃষ্টি হয় এক প্রাণবন্ত মিলনমেলার পরিবেশ।
কসবা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আবুল খায়ের স্বপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন কসবা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. লোকমান হোসেন পলা, সহসাধারণ সম্পাদক মো. সোহরাব হোসেন, প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও বাংলা টিভির কসবা প্রতিনিধি মো. রুবেল আহমেদ, এন্টারটিভির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি শাহ মো. ফুরকানুল ইসলাম, আরটিভি অনলাইনের কসবা প্রতিনিধি মো. রিফাত হোসেন এবং সালদা নিউজের মাল্টিমিডিয়া ইনচার্জ ফুয়াদ হাসান অভি। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন দৈনিক কালবেলার কসবা প্রতিনিধি লিয়াকত মাসুদ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা সংবাদপত্রের দায়িত্বশীল ভূমিকা, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং সমাজের নানা অসংগতি তুলে ধরার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁরা বলেন, সংবাদপত্র শুধু সংবাদ প্রকাশের মাধ্যম নয়, বরং সমাজের দর্পণ হিসেবে মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে। সত্যনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান সময়ে তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের ফলে গণমাধ্যমের পরিসর বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পাঠকের কাছে নির্ভরযোগ্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পৌঁছে দেওয়া গণমাধ্যমকর্মীদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। পেশাগত সততা, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় করার ওপরও তাঁরা গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় কসবায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে আনন্দঘন ও প্রাণবন্ত।
দৈনিক কালবেলার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও পেশাগত যোগাযোগ আরও জোরদার করার একটি উপলক্ষ হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে অতিথিদের অংশগ্রহণে কেক কাটা হয় এবং উপস্থিত সবার মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।
আনন্দঘন পরিবেশে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
শাহ মোহাম্মদ ফুরকানুল ইসলাম