শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পূজার সময় উপহার যেমন পাই, আবার উপহার দিতেও হয়: মিম

পূজার সময় উপহার যেমন পাই, আবার উপহার দিতেও হয়: মিম

পূজার সময় উপহার যেমন পাই, আবার উপহার দিতেও হয়: মিম

দুর্গাপূজা মানেই নতুন পোশাক, সাজসজ্জা, মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরে বেড়ানো আর প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি। উৎসবের এই আনন্দে মেতে ওঠেন শোবিজ তারকারাও। প্রতিবছরের মতো এবারো শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে নানা পরিকল্পনা রয়েছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিমের। পূজার দিনগুলোতে নিজের মতো করে সাজতে ভালোবাসেন তিনি। ষষ্ঠী থেকে দশমী, প্রতিদিনই থাকে ভিন্ন পোশাকের আয়োজন। এর আগে দেবীর অবতারে হাজির হয়ে ভক্তদের চমকে দিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। এবার পূজার প্রস্তুতি, উৎসবের পরিকল্পনা ও শৈশবের স্মৃতি নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।

এবারের পূজার পরিকল্পনা নিয়ে মিম বলেন, “প্রত্যাশা করছি, সবাই মিলে অনেক সুন্দরভাবে এবং সুন্দর পরিবেশে যেন পূজার দিনগুলো কাটাতে পারি। একা নয়, সবাই মিলে যেন আনন্দ করতে পারি। পূজা এলেই উৎসব শুরু হয়ে যায়। তা যেন অব্যাহত থাকে। পূজায় মন্দিরে যাওয়ার পরিকল্পনা প্রতিবছর থাকে, এবারো আছে। পূজার সময় কখনো কখনো রাজশাহীতে যাই। সেখানে গেলে সুন্দর সময় কাটে। পূজার সময় উপহার যেমন পাই, আবার উপহার দিতেও হয়। দুটোতেই আনন্দ পাই। দুর্গাপূজার আনন্দ ও উৎসব আমাদের সবার হোক।”

শৈশবে পূজার আনন্দ ছিল অন্য রকম। তখন বন্ধু ও স্বজনদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো, উৎসবে মেতে ওঠার সুযোগ ছিল বেশি। সময়ের সঙ্গে বদলেছে সেই অভিজ্ঞতা। এখন পরিচিতির কারণে গ্রামে গেলেও আগের মতো নিজের ইচ্ছেমতো ঘুরে বেড়াতে পারেন না তিনি।

ছোটবেলার পূজার স্মৃতিচারণা করে মিম বলেন, “ছোটবেলায় অনেক আনন্দ করতাম, ঘুরে বেড়াতাম। কিন্তু, এখন আর সেই আনন্দটা নেই। এখন গ্রামে গেলে বাসা থেকে বের হতে পারি না, কারণ বের হলেই সবাই ঘিরে ধরে। হয়তো আত্মীয়স্বজনদের বাসায় যাই, সেখানেও লোকজন ভিড় করে থাকে। এতে খারাপ লাগে না আমার। কারণ আমাদের গ্রামেরই তো মানুষ। কিন্তু ওই যে বললাম, শৈশবের মতো ঘুরে বেড়াতে পারি না।”

বিনোদন প্রতিবেদক
মোহিত লাল সাহা