এসআরবি ফোর্সেস, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে এ নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় সার্বজনীন দুর্গাপূজা মন্দিরে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এসআরবি-১৩ রংপুরের সিপিসি-২, নীলফামারী ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার ও সহকারী পুলিশ সুপার আবু রোহানি পারভেজ রনী।
তিনি জানান, নাশকতা ও অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি, টহল এবং গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও উসকানিমূলক তথ্য ঠেকাতে ২৪ ঘণ্টা সাইবার মনিটরিং চলছে। প্রতিমা বিসর্জনের দিনও অতিরিক্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকবে।
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য। কোনো ধরনের নাশকতা বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করা হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসব শুরু হয়েছে। আগামী ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে উৎসব শেষ হলেও ২২ অক্টোবর পর্যন্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার থাকবে।
পঞ্চগড়ে ২৬৮ মন্দির-মণ্ডপে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা, মাঠে এসআরবি-১৩
শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন নিশ্চিত করতে পঞ্চগড় জেলার ২৬৮টি মন্দির ও মণ্ডপে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১৩)।
