স্থানীয়দের অভিযোগ প্রকল্পের কিছু ঘর প্রভাবশালীদের দখলে রয়েছে। প্রকৃত অসহায়রা ঘর না পেলেও সরকারি অর্থে নির্মিত ঘরগুলো অব্যবহৃত পড়ে আছে।
এ ছাড়া প্রকল্প এলাকায় পানি নিষ্কাশনসহ প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার ঘাটতি রয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।
ঘরগুলো কাদের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে কেন সেগুলো তালাবদ্ধ এবং বরাদ্দে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
একই সঙ্গে অব্যবহৃত ঘরগুলো প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে হস্তান্তরের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ছামিউল ইসলাম জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কায়েমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বলেন, “বিষয়টি নিয়ে আমরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ছামিউল ইসলামের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিত করা হবে এবং সরকারি আবাসন প্রকল্পের সুফল পৌঁছাবে প্রকৃত অসহায় মানুষের কাছে।
