বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

হাদির আক্রমণকারী চিহ্নিত, বিএনপিকে জড়িয়ে মিথ্যাচার চলছে

হাদির আক্রমণকারী চিহ্নিত, বিএনপিকে জড়িয়ে মিথ্যাচার চলছে

হাদির আক্রমণকারী চিহ্নিত, বিএনপিকে জড়িয়ে মিথ্যাচার চলছে

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। অথচ একটি মহল হীন উদ্দেশ্যে এই ঘটনার দায় বিএনপির ওপর চাপানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে বিজয় দিবস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, “বাংলাদেশের যত অর্জন, তার সবই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির নেতৃত্বে এসেছে। এখন নতুন স্বপ্নের পথে দেশ এগোচ্ছে তারেক রহমানের হাত ধরে।”

তিনি বলেন, একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে। আগামী জাতীয় নির্বাচন দেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এই নির্বাচনই নির্ধারণ করবে দেশ সামনে এগোবে, নাকি আবার পেছনে ফিরে যাবে।”

বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, ২৪-এর জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া অনেক যোদ্ধার মধ্যে নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে তাদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “স্বাধীনতাকে সুসংহত করতে না পারলে তা পরাধীনতায় রূপ নেবে।” তিনি সতর্ক করে বলেন, ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের পর জনগণ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়লে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে না।

তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে অবমূল্যায়নের চেষ্টা চলছে এবং গণতন্ত্রে উত্তরণ যেন সহজ না হয়, সে জন্য বহুমাত্রিক ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য নজরুল ইসলাম খান ক্ষমতাসীন দল ও জামায়াতে ইসলামীর অতীত রাজনৈতিক ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “ছাত্র হত্যাকাণ্ড, মা-বোনদের ওপর নির্যাতন ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের সময় আপনারা কোথায় ছিলেন—এ প্রশ্ন জনগণের।”

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এরশাদের শাসনামলের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে নজরুল ইসলাম খান বলেন, এরশাদের সঙ্গে কারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল, তা জনগণের জানা। ওই নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্তই বিএনপিকে ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় এনেছিল। সে সময় আওয়ামী লীগ ও জামায়াত জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, “গত ১৭ বছর ধরে সরকারের দমন-পীড়ন সত্ত্বেও বিএনপি আন্দোলনের মাঠ ছাড়েনি। নানা লোভ দেখিয়েও জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না।” শেষে তিনি বিজয় দিবসের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।