বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বলিউডের স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর’ নিয়ে যে কারণে ক্ষুব্ধ পাকিস্তান

বলিউডের স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর’ নিয়ে যে কারণে ক্ষুব্ধ পাকিস্তান

বলিউডের স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর’ নিয়ে যে কারণে ক্ষুব্ধ পাকিস্তান

ভারতীয় মেইনস্ট্রিম সিনেমা মানেই তীব্র জাতীয়তাবাদী আস্ফালন। উগ্র হিন্দুত্ববাদের সাথে যেখানে থাকে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের আরও প্রান্তিক করে তোলার প্রবণতা। মুসলমানদের এইসব সিনেমায় সচরাচর ভিলেন হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। আর যদি কোনো মুসলিম চরিত্রকে ভালোভাবে উপস্থাপনও করা হয়, তাকেও সাজানো হয় ভারতীয় চাহিদামাফিক ধাঁচে। আর এসব সিনেমার পদে পদে ঘটে ইতিহাস বিকৃতি। যার প্রধান লক্ষ্য থাকে ভারতকে সাধু ও নায়ক অবতারে হাজির করা। 

সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত রণবীর সিং অভিনীত বলিউডের স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর’ও সেই ধারা থেকে বের হতে পারেনি। তাই ভারতে বেশ প্রশংসা পেলেও সিনেমাটি সমানভাবে সমালোচিত হচ্ছে পাকিস্তানে। দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই প্রতিবেশীর মধ্যকার তিক্ত সম্পর্ককে আরও জটিল পরিস্থিতিতে ফেলে দিয়েছে সিনেমাটি।

গত সপ্তাহে সিনেমা হলে মুক্তি পায় সাড়ে তিন ঘণ্টার এই ক্রস-বর্ডার রাজনৈতিক স্পাই ড্রামা ধুরন্ধর। ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গ্যাংস্টার এবং গোয়েন্দা এজেন্টদের সহিংস ও রক্তাক্ত জগতে দর্শকদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। চলতি বছরের মে মাসে ভারতীয়-শাসিত কাশ্মীরের পেহেলগামের একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রে বিদ্রোহীদের আক্রমণের পর সিনেমাটি হলে এলো। পেহেলগাম হামলার জন্য ভারত পাকিস্তানকে দায়ী করেছিল। তবে ইসলামাবাদ এই ঘটনায় তাদের ভূমিকার কথা অস্বীকার করেছে। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকে পারমাণবিক শক্তিধর এই দুই প্রতিবেশী চারবার যুদ্ধে জড়িয়েছে, যার মধ্যে তিনটিই ছিল কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে।

এই ছবিতে জনপ্রিয় অভিনেতা রণবীর সিং একজন ভারতীয় গুপ্তচরের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। তিনি পাকিস্তানের করাচিতে গ্যাংস্টার ও সন্ত্রাসীদের নেটওয়ার্কে অনুপ্রবেশ করেন। সমালোচকদের দাবি, এই চলচ্চিত্রের গল্পে অতি-জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক ধারা রয়েছে। এটি ইতিহাসকে ভুলভাবে উপস্থাপন করেছে, যা বলিউডে একটি ক্রমবর্ধমান প্রবণতা বলে তাঁরা মনে করেন।

ছবিটির পরিচালক আদিত্য ধর, ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার একটি গোপন অধ্যায়কে নাটকের রূপ দিয়েছেন। এটি ভারতের রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং (র) পরিচালিত উচ্চ-স্তরের আন্তঃসীমান্ত অভিযানকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। মূল চরিত্রটি ভারতীয় জাতীয় সুরক্ষার জন্য হুমকি সৃষ্টিকারী নেটওয়ার্কগুলোকে নিষ্ক্রিয় করতে শত্রুর ভূমিতে অভিযান চালায়।