মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

তুরস্কের ২৯ ফুটবলারকে আটকের নির্দেশ

তুরস্কের ২৯ ফুটবলারকে আটকের নির্দেশ

তুরস্কের ২৯ ফুটবলারকে আটকের নির্দেশ

পেশাদার ফুটবলে বাজির ধরার অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে তুরস্কের আরও ২৯ জনকে আটক করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রসিকিউটররা। এদের মধ্যে আছেন গালাতাসারাইয়ের একজন সাবেক নির্বাহীও।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) তুরস্কের বিভিন্ন গণমাধ্যম এই খবর দিয়েছে। প্রসিকিউটরদের অফিস থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিযোগ ওঠার পর ২৯ জনের মধ্যে ২৪ জনকে এরই মধ্যে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে আছেন গালাতাসারাইয়ের সাবেক নির্বাহী এর্দেন টিমুরও।

গালাতাসারাই ও টিমুরের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। বাকি পাঁচ জনের একজন জেলে আছেন, অন্যদের খোঁজ চলছে। প্রতিবেদনে কারো নাম প্রকাশ না করে বলা হয়েছে, সন্দেহভাজনদের মধ্যে ১৪ জন তুরস্কের বিভিন্ন লিগের ফুটবলার।

গতকাল দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তারা জানান, পেশাদার ফুটবলে বাজি ধরার অভিযোগে ৩০ জন ম্যাচ পর্যবেক্ষক,পাঁচজন অভিজাত ‘উচ্চ শ্রেণী’ বিভাগের এবং ২৫ জন স্ট্যান্ডার্ড শ্রেণীবিভাগের ও পেশাদার ফুটবল শৃঙ্খলা বোর্ডের (পিএফডিকে) এর কাছে পাঠানো হয়েছে এবং তাদের ফুটবল ম্যাচে বাজি ধরার প্রমাণ পাওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

 

এর আগে ফুটবল ম্যাচে বাজি ধরায় গত মাসে ১৪৯ জন রেফারি ও সহকারী রেফারিকে নিষিদ্ধ করে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন। তদন্তের পরিধি বাড়িয়ে আরও আট জনকে গ্রেপ্তার করে, এর মধ্যে আছেন শীর্ষ পর্যায়ের একটি ক্লাবের চেয়ারম্যানও। সব লিগ মিলিয়ে নিষিদ্ধ করা হয় এক হাজার ২৪ জন খেলোয়াড়কে।

চলতি মাসের শুরুতে অভ্যন্তরীণ বাজির দায়ে খেলোয়াড়, ক্লাব সভাপতি, ধারাভাষ্যকার ও এক রেফারিসহ ৪৬ জনকে আটক করার নির্দেশ দেন প্রসিকিউটররা। পরে একটি আদালত সুপার লিগের খেলোয়াড়সহ ২০ জন সন্দেহভাজনকে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে পাঠায়।