শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপান

আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপান

আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপান

৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে জাপান। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ২৬ মিনিটে এ ভূ-কম্পন অনুভূত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব গবেষণা সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) জানিয়েছে গতকালের ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল জাপানের পূর্বাঞ্চলীয় শহর নোডার উপকূলে। ভূপৃষ্ঠের ১৯ দশমিক ৩ কিলোমিটার গভীরে ছিল ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল।

তবে সমুদ্র উপকূলে ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল হলেও এতে সুনামির আশঙ্কা নেই বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে জাপানের আবহাওয়া দপ্তর। এছাড়া ভূমিকম্পের জেরে বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে আবহাওয়া দপ্তরের বিবৃতিতে।

এই ভূমিকম্পটি এমন এক সময় ঘটল, যখন কয়েক সপ্তাহ আগেই দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। ওই ঘটনায় অন্তত ৩০ জন আহত হন এবং প্রায় ৯০ হাজার মানুষকে ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বাধ্য করা হয়।

গত ৮ ডিসেম্বর জাপানের উপকূলীয় এলাকায় সংঘটিত আরেকটি ভূমিকম্পের পর জাপান আবহাওয়া সংস্থা সতর্ক করে জানায়, দেশটির উত্তর-পূর্ব উপকূলে সর্বোচ্চ ৩ মিটার (প্রায় ১০ ফুট) উচ্চতার সুনামি আঘাত হানতে পারে। হোক্কাইডো, আওমোরি ও ইওয়াতে প্রদেশে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। পরে বিভিন্ন বন্দরে ২০ থেকে ৭০ সেন্টিমিটার (৭ থেকে ২৭ ইঞ্চি) উচ্চতার সুনামি ঢেউ পর্যবেক্ষণ করা হয়।

জাপান বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর একটি। দেশটিতে গড়ে প্রতি পাঁচ মিনিটে একটি করে ভূকম্পন অনুভূত হয়। প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ারে’ অবস্থিত হওয়ায় জাপানে ৬ দশমিক ০ বা তার বেশি মাত্রার বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।

এর আগে ২০১১ সালের ১১ মার্চ জাপানের উত্তরাঞ্চলীয় শহর সেন্দাইয়ের উপকূলে ৯ দশমিক ০ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে। এটি ছিল জাপানের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প, যার ফলে সৃষ্ট বিশাল সুনামিতে দেশটির প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলজুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে এবং প্রায় ২০ হাজার মানুষ প্রাণ হারান।