জীবনের প্রতিটি ধাপে খালেদা জিয়া দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন-এ কথা উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান বলেন, নিজের জীবন ও রাজনৈতিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তিনি তা বারবার প্রমাণ করেছেন।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে এ্যাবের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি রাজধানীর শেরেবাংলানগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার রাজনীতি কখনোই শক্তি বা অস্ত্রনির্ভর ছিল না। বন্দুক নয়, বরং সাধারণ জনগণই ছিল তার সবচেয়ে বড় শক্তি। জনগণের ভালোবাসা, আস্থা ও সমর্থনের ওপর ভর করেই তিনি দীর্ঘদিন রাজপথের আন্দোলন ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
আবদুল মঈন খান আরও বলেন, খালেদা জিয়া সবসময় বিশ্বাস করতেন-গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ জনগণের অংশগ্রহণ ও ঐক্য। ক্ষমতা কিংবা দমননীতির মাধ্যমে নয়, বরং জনসমর্থনের মাধ্যমেই রাজনৈতিক পরিবর্তন সম্ভব-এই আদর্শই তার রাজনৈতিক জীবনের মূল ভিত্তি ছিল।
এ সময় তিনি বলেন, নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে খালেদা জিয়া সারাজীবন দেশ ও জনগণের অধিকারের জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। অন্যরা যখন ক্ষমতার ভাগ-বাটোয়ারায় ব্যস্ত ছিলেন, তখন খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন এবং অবিচল। কোনো প্রলোভন বা চাপের কাছে তিনি মাথা নত করেননি।
তার মতে, খালেদা জিয়ার এই সংগ্রামী রাজনৈতিক জীবন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে, যেখানে দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থ ব্যক্তিগত কিংবা দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে স্থান পেয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, খালেদা জিয়ার রাজনীতি কখনোই আরামকেদারা বা সমঝোতার ছিল না, বরং তা ছিল সংগ্রামনির্ভর ও রাজপথকেন্দ্রিক। গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজপথেই তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন—এটাই তার রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
