বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

গ্রিনল্যান্ড দখলে প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারের কথাও ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র: হোয়াইট হাউস

গ্রিনল্যান্ড দখলে প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারের কথাও ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র: হোয়াইট হাউস

গ্রিনল্যান্ড দখলে প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারের কথাও ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র: হোয়াইট হাউস

গ্রিনল্যান্ড দখলে প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখছে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউসের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে আর্কটিক অঞ্চলের এই দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে ওয়াশিংটনের এমন অবস্থানে ইউরোপের একাধিক দেশ কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজ এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনাসহ নানা বিকল্প নিয়ে আলোচনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

হোয়াইট হাউসের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ও তাঁর টিম লক্ষ্য অর্জনে সব ধরনের বিকল্প খোলা রাখছেন। প্রয়োজনে মার্কিন সেনাবাহিনী ব্যবহারের বিষয়টিও আলোচনার বাইরে রাখা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থানের পর ডেনমার্কের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে ইউরোপের একাধিক দেশ। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, স্পেনসহ ছয়টি ইউরোপীয় দেশ এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার একমাত্র গ্রিনল্যান্ডের জনগণ ও ডেনমার্কেরই রয়েছে।

এদিকে গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন যুক্তরাষ্ট্রকে সম্মানজনক সংলাপের আহ্বান জানিয়ে বলেন, যেকোনো আলোচনা আন্তর্জাতিক আইন ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার নীতির প্রতি সম্মান রেখেই হতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, আর্কটিক অঞ্চলে নতুন বাণিজ্যপথের সম্ভাবনা এবং বিরল খনিজ সম্পদের কারণে গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত গুরুত্ব দ্রুত বাড়ছে। এই দ্বীপটি নিয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে রাশিয়া ও চীনও।

মাত্র ৫৭ হাজার মানুষের বসবাস এই দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ নতুন নয়। তবে সামরিক শক্তি ব্যবহারের ইঙ্গিত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

এ অবস্থায় আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে—গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র কতদূর এগোতে পারে, আর এর প্রভাব ন্যাটোভুক্ত মিত্রদের সম্পর্কের ওপরই বা কী হবে? এসব প্রশ্নের উত্তর দেবে সময়ই।