গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কেওয়া পূর্বখন্ড এলাকায় একটি ভাড়া বাসার রান্নাঘর থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ভাড়া বাসা থেকে মোবাইল ফোন কিনার জন্য বের হয়ে রাতে আর বাসায় ফিরে আসেননি।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) ভোর সকাল ৬টার দিকে উপজেলার কেওয়া পূর্বখন্ড গ্রামের মামুনের ভাড়া বাসার রান্নাঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত ওই যুবকের নাম সুমন(২৫)। সে বরিশালের হিজলা উপজেলার খুন্না গোবিন্দপুর গ্রামের শাজাহানের ছেলে। তিনি উপজেলার কেওয়া পূর্বখন্ড গ্রামের মান্নান কাজীর ভাড়ায় বাসায় থেকে গেটওয়ার সিরামিকস কোম্পানিতে চাকরি করতেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,রোববার সন্ধ্যা ৬টার দিকে মোবাইল ফোন কিনতে বাসা থেকে বের হন। এরপর রাতে আর বাসায় ফিরে আসেননি।সোমবার সকালে সুমন যে বাড়িতে ভাড়া থাকতো তার পাশের ভাড়া বাসার রান্নাঘরের ভেতর থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের ছোট ভাই শুভ বলেন,রোববার সন্ধ্যায় ৬ টাকা ও শীতের জমা নিয়ে বাটন মোবাইল ফোন কিনার জন্য বাসা থেকে বের হন। এরপর রাতে আর বাসায় ফিরে যাননি। রাত দেড়টার দিকে অপরিচিত নাম্বার থেকে আমার বাবার মোবাইলে একাধিক বার ফোন করে। কিন্তু বাবা অপরিচিত নাম্বার দেখে রিসিভ করেন নাই। সকালে আবার ওই নাম্বার থেকে কল করে বিষয়টি আমাদের জানান। আমার ভাই যে বাসায় ভাড়া থাকে তার পাশের বাসার রান্না ঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আমি মনে করি এটা পরিকল্পিত হত্যাকান্ড।এখন আমি থানায় এসেছি।
শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক এসআই আবদুল হালিম বলেন,খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজ উদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি
