বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ছাত্রদের দাবিতে পদত্যাগের কথা প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছিলাম

ছাত্রদের দাবিতে পদত্যাগের কথা প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছিলাম

ছাত্রদের দাবিতে পদত্যাগের কথা প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছিলাম

‘ছাত্রদের দাবিতে পদত্যাগের কথা প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছিলাম’

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার দাবি অনুযায়ী পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তিনি এ কথা বলেন।

জুনাইদ পলক ট্রাইব্যুনালকে বলেন, ২০২৪ সালের ২ আগস্ট জুলাই আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে আমি পদত্যাগ করতে চেয়েছিলাম। মন্ত্রিসভার বৈঠকে আমি ছাত্রদের পক্ষে কথা বলেছি। এছাড়া আমার পদত্যাগের সিদ্ধান্তটি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জানিয়েছিলাম।

জুলাই অভ্যুত্থানে ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যায় উসকানিসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলকসহ সজীব ওয়াজেদ জয়ের অব্যাহতি (ডিসচার্জ) চেয়ে আইনজীবীরা শুনানি শেষ করেছেন। এদিন পলকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী লিটন আহমেদ ও জয়ের আইনজীবী (রাষ্ট্রনিযুক্ত) মনজুর আলম। 

 

এ মামলায় অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ২১ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল।

শুনানিতে পলকের আইনজীবী বলেন, ইন্টারনেট বন্ধ করার ক্ষমতা সরকার বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজ। এতে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে জুনাইদ আহমেদ পলকের কোনো দায় নেই। সুতরাং আমি তার অব্যাহতি চাই।

 

পলাতক আসামি জয়ের আইনজীবী মনজুর আলম বলেন, জয়ের নির্দেশে পলক ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে উসকানি ও প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়েছে। কিন্তু পোস্টে জয়কে ট্যাগ করেননি পলক। এমনকি জয়ও কথিত পোস্টে লাইক-কমেন্ট কিংবা শেয়ার দেননি। এছাড়া সরকারের অবৈতনিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন জয়। তার অধীনে কোনো মন্ত্রণালয় ছিল না। সুতরাং এ মামলায় আনা অভিযোগের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

 

ট্রাইব্যুনালকে মনজুর আলম বলেন, সজীব ওয়াজেদ জয়ের মা শেখ হাসিনা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এজন্য ভবিষ্যতে যেকোনো দায়িত্বে আসতে পারেন তিনি। তাই তাকে এ মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন করছি।