শ্রীপুরে পুকুর থেকে উদ্ধার ৭টি বোমা সদৃশ বস্তু
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা এলাকায় পিয়ার আলী ডিগ্রি কলেজের পুকুর থেকে ৫ থেকে ৬টি ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার কাজ চলছে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে স্থানীয়রা এসব বস্তু দেখতে পান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ৭টার দিকে জাহাঙ্গীর নামে এক যুবক পিয়ার আলী ডিগ্রি কলেজের পূর্ব পাশের পুকুরে মাছ ধরার জন্য জাল টান দেন। জাল টান শেষ হওয়ার পর সকাল ৮টার দিকে জালের সঙ্গে একটি শপিং ব্যাগ উঠে আসে।
ব্যাগটির ভেতরে ইট দিয়ে বাঁধা অবস্থায় ৫ থেকে ৬টি বোমা সদৃশ বস্তু দেখতে পান তিনি।
বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় স্থানীয়রা দ্রুত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে শ্রীপুর থানা পুলিশ সকাল ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাটি ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি দল এবং র্যাব সদস্যরাও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে অবস্থান নেয়। খবর পেয়ে বোম ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে আসছেন।
পুকুরের ইজারাদার জাহাঙ্গীর বলেন,“আমি কলেজ পুকুরটি লিজ নিয়েছি। আজ সকালে লোকজন নিয়ে মাছ ধরছিলাম। জাল টানার সময় একটি শপিং ব্যাগ উঠে আসে। ব্যাগের ভেতরে ইট বাঁধা কিছু বোমা সদৃশ বস্তু দেখতে পাই। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জালের সঙ্গে ব্যাগটি উঠতেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তার স্বার্থে সবাই দূরে সরে গিয়ে পুলিশকে খবর দেন।
যুবদল নেতা বাপ্পি বলেন,“ঘটনাটি খুবই উদ্বেগজনক। দ্রুত তদন্ত করে এর সঙ্গে কারা জড়িত তা বের করার দাবি জানাই।
মাওনা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার সরকার বলেন, “এ ধরনের বিস্ফোরক এলাকায় পাওয়া যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের কাছে দোষীদের শনাক্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাছির আহমদ বলেন,“খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকা নিরাপদ করি। বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা বিষয়টি পরীক্ষা করবে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।” ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে।
