শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ইরানে হামলা চালানো থেকে কেন বিরত আছে যুক্তরাষ্ট্র? জানালেন ট্রাম্প

ইরানে হামলা চালানো থেকে কেন বিরত আছে যুক্তরাষ্ট্র? জানালেন ট্রাম্প

ইরানে হামলা চালানো থেকে কেন বিরত আছে যুক্তরাষ্ট্র? জানালেন ট্রাম্প

ইরানে হামলা চালানো থেকে কেন বিরত আছে যুক্তরাষ্ট্র? জানালেন ট্রাম্প

 

ইরানে মার্কিন হামলা ঠেকাতে দেশটিকে আরও একবার ‘সুযোগ দেওয়ার’ জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে সৌদি আরব, কাতার ও ওমান— এই তথ্যটি সত্য নয় বলে জানিয়েছেন খোদ ট্রাম্প। 

 

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প জানান, উপসাগরীয় কোনো দেশ বা ইসরাইল তাকে হামলা থেকে বিরত রেখেছে—এমন মন্তব্য সঠিক নয়; বরং ইরানের পদক্ষেপই তাকে সিদ্ধান্ত বদলাতে প্রভাবিত করেছে।

 

সেইসঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি বাতিল করার জন্য ইরানের নেতৃত্বকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ইরানের নেতৃত্ব যে গতকাল নির্ধারিত সব ফাঁসি বাতিল করেছে—এ বিষয়টিকে আমি অত্যন্ত সম্মান করি। ধন্যবাদ!’

 

এছাড়া সপ্তাহান্তে ফ্লোরিডা যাওয়ার পথে হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘কেউ আমাকে বোঝায়নি; আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি। তারা কাউকে ফাঁসি দেয়নি—ফাঁসি বাতিল করেছে। সেটার বড় প্রভাব পড়েছে।’


এর আগে বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউস জানায়, টানা কয়েক সপ্তাহের বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে ইরানি কর্তৃপক্ষ ৮০০টি নির্ধারিত মৃত্যুদণ্ড ‘স্থগিত’ করেছে। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন পরিস্থিতি ‘ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ’ করছে বলেও জানানো হয়।

 

ট্রাম্প বারবার ইরানের বিক্ষোভকারীদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন। তার ভাষায়, কর্তৃপক্ষের দমন-পীড়নে সেখানে হাজারো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার তিনি ইরানি বিক্ষোভকারীদের ‘বিক্ষোভ চালিয়ে যেতে ও প্রতিষ্ঠানগুলো দখলে নিতে’ আহ্বান জানান এবং বলেন, ‘সহায়তা আসছে।’

একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে দেন, বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি কার্যকর হলে তেহরানকে ‘খুব কঠোর পদক্ষেপের’ মুখে পড়তে হবে।

 

অন্যদিকে, ইরানের কর্মকর্তারা বিক্ষোভকে ‘দাঙ্গা’ ও ‘সন্ত্রাসবাদ’ আখ্যা দিয়ে এসবের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মদদ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ডিসেম্বর ইরানে প্রাণঘাতী ও সহিংস বিক্ষোভ শুরু হয় । তবে হতাহত বা আটক ব্যক্তিদের সংখ্যা নিয়ে ইরানি কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করেনি।