বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘হ্যাঁ’ ভোট দিলেই পরিবর্তন আসবে–এমন দাবি বিভ্রান্তিকর, অসৎ: আসিফ সালেহ

‘হ্যাঁ’ ভোট দিলেই পরিবর্তন আসবে–এমন দাবি বিভ্রান্তিকর, অসৎ: আসিফ সালেহ

‘হ্যাঁ’ ভোট দিলেই পরিবর্তন আসবে–এমন দাবি বিভ্রান্তিকর, অসৎ: আসিফ সালেহ


আসন্ন গণভোটে যেভাবে এক প্রশ্নে ৮৪টি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের পক্ষে জনগণের অনুমোদন নেওয়ার বন্দোবস্ত হয়েছে, তাতে ‘চালাকি’ দেখছেন ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) এক ফেইসবুক পোস্টের মাধ্যমে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রচারের মধ্যে এ ভোটের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে নিজের মতামত ও অবস্থান তুলে ধরেছেন দেশের সবচেয়ে বড় এনজিওর নির্বাহী পরিচালক।

আসিফ সালেহ তার পোস্টে লিখেছেন ‘আপনি কি জানেন এই গণভোটে আপনি কুমিল্লা ও ফরিদপুরকে আলাদা বিভাগ করার জন্যও ভোট দিচ্ছেন? আমি জানতাম না। শুধু আমি না। বাড়ির বুয়া থেকে ব্যারিস্টার বন্ধু পর্যন্ত সবাই কনফিউসড এই গণভোট নিয়ে! কারণটা কী?’

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গেই গণভোট হবে। গণভোটের আলাদা ব্যালটে ভোটাররা যে ভোট দিবেন সেখানে খুব অল্প করে চারটি বিষয় লেখা থাকবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ভোটারদের সমর্থন আছে কি-না, সেই প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দেবেন ভোটাররা।

আসিফ সালেহ বলছেন, ‘কিন্তু এই সনদে মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। একটু চালাকি!?’

এর মধ্যে ৪৭টি প্রস্তাব সাংবিধানিক সংস্কারের। বাকি ৩৭টি প্রস্তাব সাধারণ আইন বা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করার কথাও জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক লিখেছেন, একটি ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক বড় সাংবিধানিক পরিবর্তন অনুমোদনের কথা বলা হচ্ছে–নির্বাচনকালীন শাসনব্যবস্থা, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাঠামো, ভবিষ্যৎ সরকারের ওপর বাধ্যতামূলক ৩০ দফা অঙ্গীকার, এবং একটি নতুন উচ্চকক্ষ গঠনের মতো ‘গভীর ও দীর্ঘমেয়াদি’ সিদ্ধান্ত।