ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি।ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসন থেকে নির্বাচিত জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকী মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন বলে আলোচনা এখন সবার মুখে মুখে। গণমাধ্যমেও এ নিয়ে লেখালেখি শুরু হয়েছে।
এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের খালেদ মাহবুব শ্যামলের নাম নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। তার কর্মী সমর্থকরা এ নিয়ে বেশ আশাবাদী। তবে এক জেলা থেকে এত বেশি মন্ত্রী না দেওয়ার ‘খড়গে’ কাটা পড়তে পারেন তিনি। মুশফিকুর রহমান সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি ছিলেন সাবেক সচিব ও বিশ্ব ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক। জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী। দলটি বিএনপির সঙ্গে জোটগতভাবে নির্বাচন করেছে। খালেদ হোসেন মাহবুব বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক।
এদিকে বিএনপি থেকে বহিস্কৃত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনে নির্বাচিত ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে আসন ছাড়ার শর্তে মন্ত্রীত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তাকে যদি দল ভেড়ায় তাহলে মন্ত্রীসভার তালিকায় তার নাম থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও রুমিন ফারহানা জানিয়েছেন বিএনপিতে তার ফেরার সম্ভাবনা নেই।
