ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। তেহরানসহ কয়েকটি শহরে হামলার পর এই ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয় এবং সেগুলো প্রতিহত করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের বিমান বাহিনী। এদিকে, ইরানের সঙ্গে চলমান সামরিক উত্তেজনায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে ইসরায়েলজুড়ে। দেশটির প্রধান হাসপাতালগুলোর কার্যক্রম মাটির নিচের সুরক্ষিত বা আন্ডারগ্রাউন্ড ফেসিলিটিতে স্থানান্তর শুরু হয়েছে।
শনিবার ইসরায়েলের স্বাস্থ্য
মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক জরুরি নির্দেশনায় দেশটির সকল বড় হাসপাতালকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভূগর্ভস্থ ইউনিটে চিকিৎসা কার্যক্রম সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির ঝুঁকি মোকাবিলায় নজিরবিহীন এই প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে দেশটি। একই সঙ্গে যেসব রোগীর জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে থাকার প্রয়োজন নেই, তাদের দ্রুত ছাড়পত্র দিয়ে হাসপাতাল খালি করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
তেল আবিবের বিখ্যাত সুরাসকি মেডিকেল সেন্টার ইতিধ্যেই তাদের আন্ডারগ্রাউন্ড জরুরি হাসপাতালটি পুরোদমে চালু করেছে। রোগীদের নিরাপদ ও সুরক্ষিত স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ সম্পন্ন করছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাদের সবচেয়ে সংবেদনশীল ইউনিটগুলো বর্তমানে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ কক্ষে কাজ শুরু করে দিয়েছে।
এরই মধ্যে ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে উত্তর ইসরায়েলে আঘাত করেছে ইরানি মিসাইল। সেখানে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের পাল্টা মিসাইল হামলায় ইসরায়েলজুড়ে সাইরেন বেজে উঠেছে।
ইসরায়েলের সেনাবাহিনী বলেছে, নাগরিকদের হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশ মেনে চলতে আহ্বান জানানো হচ্ছে। যেকোন ধরনের হুমকি নস্যাৎ করতে কাজ করছে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী। এর আগে ইসরায়েলের হামলার পরপরই বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে ইরানের এক কর্মকর্তা জানান, তাদের এবারের জবাব হবে বিধ্বংসী। সূত্র: সিএনএন, টাইমস অব ইসরায়েল, দ্য জেরুজালেম পোস্ট
-1772274065.jpg)