তরুণদের রাজনৈতিক সংগঠন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কসবা তফাজ্জল আলী কলেজ মাঠে উপজেলা এনসিপির উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
‘দেশ যাবে নতুন পথে, ফিরবে না আর ফ্যাসিবাদে’—এ স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থীদের সমন্বিত উদ্যোগে ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি এনসিপির আত্মপ্রকাশ ঘটে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দলটি রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছে। সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশন থেকে নিবন্ধন পাওয়া দলটির প্রতীক ‘শাপলা কলি’। নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে যুক্ত হয়ে ২৯টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দলটি কয়েকটি আসনে জয়লাভ করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় আসে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নেতৃবৃন্দ এবং সঞ্চালনা করেন এনসিপির ১নং যুগ্ম সমন্বয়কারী তানভীর ইসলাম শাহিন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা যুগ্ম সমন্বয়কারী এম এ মামুন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, কসবা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওলানা শিবলী নোমানি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কসবা উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মাসুম বিল্লাহ, যুবদল নেতা শহিদুল খাঁ, ছাত্রদল নেতা রাজু আহম্মেদ, কসবা প্রেসক্লাব সভাপতি আব্দুল হান্নান, উপজেলা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মো. সবুজ খান জয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা ছাহাব, হাসান মাহমুদসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
বক্তারা বলেন, এনসিপি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে সাংবাদিক, শিক্ষক, শ্রমিকসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চায়। তারা জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবার, পেশাজীবী, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও গণমাধ্যমকর্মীদের অংশগ্রহণে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলন ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা ছাড়াও গত এক বছরে দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম, অর্জন ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। ইফতার মাহফিলে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত
