বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রাঙামাটিতে কেরাম খেলার আড়ালে দেহ ব্যবসা: জনমনে চরম ক্ষোভ

রাঙামাটিতে কেরাম খেলার আড়ালে দেহ ব্যবসা: জনমনে চরম ক্ষোভ

রাঙামাটিতে কেরাম খেলার আড়ালে দেহ ব্যবসা: জনমনে চরম ক্ষোভ

রাঙামাটি শহরের কোতোয়ালি থানাধীন সিও অফিস এলাকায় কেরাম বোর্ড খেলার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে চলছে অবৈধ দেহ ব্যবসা। স্থানীয় ‘বাবু কুলিং কর্নার’ নামক একটি দোকানের আড়ালে এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের মূল হোতা হিসেবে অভিযোগ উঠেছে জনৈক মোঃ শাহজাহানের বিরুদ্ধে।


​কেরাম বোর্ডের আড়ালে অনৈতিকতার আস্তানা
​অনুসন্ধানে জানা যায়, সিও অফিস এলাকার সিও অফিস কলোনির পাশেই অবস্থিত 'বাবু কুলিং কর্নার'। এই দোকানের পেছনের অংশে কেরাম বোর্ড খেলার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘ বহু বছর ধরে এই খেলার আড়ালেই চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা। কেরাম খেলার নাম করে আসা বহিরাগতদের মাধ্যমেই এই সিন্ডিকেট পরিচালিত হয়।


​অভিযোগের তীর ওই এলাকার বাসিন্দা মোঃ শাহজাহান (৫৬) এর দিকে। তিনি মৃত পনু জমাদারের পুত্র। স্থানীয়দের দাবি, তার পরিচালনাতেই এই আস্তানাটি দীর্ঘদিন ধরে টিকে আছে। বয়স্ক এই ব্যক্তির ছত্রছায়ায় এলাকায় প্রতিনিয়ত বহিরাগতদের আনাগোনা বাড়ছে, যা এলাকার সামাজিক পরিবেশকে কলুষিত করছে।​দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ,​এলাকার সচেতন নাগরিকরা বলছেন, এই অবৈধ ব্যবসা একদিনের নয়, বরং কয়েক বছর ধরে চলে আসছে। স্থানীয়দের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ করা হলেও তা বন্ধ হয়নি। বরং কেরাম বোর্ডের দোকানের আড়ালে কৌশলে এই কারবার চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।


​অবিলম্বে এই অনৈতিক আস্তানা উচ্ছেদ করতে হবে।
​মূল অভিযুক্ত শাহজাহানসহ এর সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
​সিও অফিস এলাকার সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।​কোতোয়ালি থানা পুলিশের প্রতি এলাকাবাসী জোর দাবি জানিয়েছেন যেন দ্রুত অভিযান চালিয়ে এই দীর্ঘমেয়াদী অপরাধের অবসান ঘটানো হয়।