কিংবদন্তি গলফার টাইগার উডসকে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর সন্দেহে (ডিইউআই) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই তথ্য জানিয়েছে ফ্লোরিডা বা মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মার্টিন কাউন্টিতে আইন প্রয়োগকারী প্রধান সংস্থা মার্টিন কাউন্টি শেরিফ।
শেরিফ জন বাডেনসিয়েক জানিয়েছেন, আরেকটি গাড়িকে ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় উডসের ল্যান্ড রোভার গাড়ি। যদিও ওই ঘটনায় কেউ আহত হননি।শেরিফের তথ্যমতে– শুক্রবার (২৭ মার্চ) স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে সাউথ বিচ রোডে ল্যান্ড রোভার গাড়ি নিয়ে দ্রুতগতিতে যাচ্ছিলেন উডস। এ সময় একটি প্রেশার ক্লিনার বহনকারী ট্রাক ড্রাইভওয়েতে ঢোকার জন্য ধীরগতিতে গেলে সেটিকে ওভারটেক করতে গিয়ে উডস নিয়ন্ত্রণ হারান। ট্রাকের পেছনে ধাক্কা লেগে তার গাড়িটি উল্টে গিয়ে রাস্তার ওপর ঘষা খেয়ে কিছুটা দূরে চলে যায়। পরে তিনি পাশের জানালা দিয়ে বেরিয়ে আসেনউডসের বিরুদ্ধে সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়ে ডিইউআই এবং আইনানুগ পরীক্ষায় অংশ নিতে অস্বীকৃতির অভিযোগ আনা হয়েছে। দুর্ঘটনার ঘণ্টাখানেক বাদে তাকে জেলে নেওয়া হয় এবং জানানো হয়েছে ফ্লোরিডা আইনে তাকে আট ঘণ্টা হেফাজতে রাখা হবে। তদন্তকারীরা ঘটনাস্থলে উডসের মধ্যে মাদকাসক্তির লক্ষণ পাওয়ার কথা জানিয়েছেন শেরিফ, ‘তার ওপর একাধিক পরীক্ষা চালানো হয়েছে। তিনি তার আগের অস্ত্রোপচার ও শারীরিক সমস্যার কথাও উল্লেখ করেছেন, যা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।’
পরবর্তীতে ব্রেথঅ্যানালাইজার পরীক্ষা করা হয় উডসের, তবে অ্যালকোহলের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এর বাইরে উডস প্রস্রাব পরীক্ষা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তদন্তকারীদের ধারণা, অ্যালকোহল নয় বরং কোনো ওষুধ বা মাদকের প্রভাবে তিনি গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তবে তার গাড়িতে কোনো ওষুধ বা মাদক পাওয়া যায়নি। শেরিফ বলছেন, ওই সড়কে গতিসীমা ছিল ঘণ্টায় ৩০ মাইল, তবে উডস কত গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন তা নিশ্চিত নয়। দুর্ঘটনার ছবি দেখলেই বোঝা যায় গাড়িটি বেশ দূর পর্যন্ত স্লাইড (পিছলে গেছে) করেছে।
এ ঘটনায় উডসের ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলে পরিচয় দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমার বেশ খারাপ অনুভব হচ্ছে। আমি যতটুকু জানি সেখানে একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। তিনি আমার খুব কাছের বন্ধু। একইসঙ্গে অসাধারণ ব্যক্তিত্ব এবং দারুণ একজন মানুষ।’অন্যদিকে, শুক্রবার এক পৃথক ঘোষণায় ইরানের সামরিক বাহিনী জানায়, যেসব হোটেলে মার্কিন সেনারা অবস্থান নেবে, সেগুলোও লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে। সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র আবোলফাজল শেখারচি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেন, ‘যখন সব মার্কিন সেনা একটি হোটেলে থাকে, তখন আমাদের দৃষ্টিতে সেটি মার্কিন ঘাঁটিতে পরিণত হয়।’
এদিকে, ইরান সরকার এখনো তাদের হতাহতের সর্বশেষ সংখ্যা প্রকাশ করেনি। তবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি কর্মী গোষ্ঠী ২৩ মার্চ জানিয়েছে, যুদ্ধে
প্রায় ১ হাজার ১৬৭ জন ইরানি সেনা নিহত হয়েছেন এবং আরও ৬৫৮ জনের অবস্থান এখনো অজানা।
