দুর্ভোগের আরেক নাম বাংলাদেশ রেলওয়ে। শাহ মুহাম্মদ ফুরকানুল ইসলাম। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ৩০০০সিরিজ লোকোমোটিভঃ
কোরিয়া থেকে আমদানিকৃত নতুন ৩০০০ সিরিজ লোকোমোটিভ ৩০ টা আমদানি করা হয়েছিল ২০২০ সালে। তখন থেকেই দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। নিম্নমানের পার্টস দিয়ে তৈরী এই লোকোমোটিভ। বর্তমানে ৩০ টার মধ্যে প্রায় ১৬ টাই বিকল হয়ে লোকোসেডে ও ডিজেলসপে পড়ে আছে। রেল ভবনের বড় স্যারগন স্পেয়ার পার্টস না আনার কারনে লোকোগুলো মেরামত করা যাচ্ছেনা এবং বাকীগুলোও নস্ট হবার পথে।যার ফলে নির্ধারিত সময়ের ট্রেন গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেনা। এতে করে যাত্রী সাধারণ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।বর্তমানে যে ১৪ টা ইন্জিন সচল আছে তার বেশির ভাগ ইন্জিন ২ মটর মানে অর্ধেক শক্তি নিয়া চলমান তার উপর
আবার সর্বোচ্ছ ৫/৬ নচের উপর খোলা নিষেধ। বাকী ৩/৪ টা লোকো অল মটর কিন্তু সেগুলিও ৪/৫ নচের উপর খোলা নিষেধ মানে সব লোকোমোটিভই তার পুর্ন শক্তি ব্যবহার করতে পারতেছেনা। ৫০% শক্তি ব্যবহার করে কোনমতে জোড়াতালি দিয়ে ট্রেন কাজ করতেছে ফলে প্রতিটি ট্রেনই লোকোমোটিভের জন্য মিনিমাম ১ থেকে ২ ঘন্টা লেট হচ্ছে৷ কানেক্টিং লোকো, দুর্বল লোকোই ট্রেন বিলম্বের মুল কারন। অচিরেই নতুন লোকো আমদানি না করলে রেলের অবস্হা হবে শোচনীয়। ৩০০০ সিরিজ লোকো অতি দ্রুত রেলওয়ের নতুন ইঞ্জিন আমদানিতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিবেন বলে যাত্রী সাধারন আশা প্রকাশ করেন