বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ীবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন, আতঙ্কে হাজারো পরিবার

আশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ীবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন, আতঙ্কে হাজারো পরিবার

আশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ীবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন, আতঙ্কে হাজারো পরিবার

আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের কাকবাসিয়া এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)’র বেড়ীবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে করে এলাকার হাজার হাজার পরিবার চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাকবাসিয়া খেয়াঘাট সংলগ্ন বাঁধে সম্প্রতি মাটি-বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে সংস্কার কাজ করা হয়েছিল। এতে কিছুদিনের জন্য ভাঙন রোধ হবে বলে আশা করেছিলেন এলাকাবাসী। তবে কয়েকদিন আগে থেকেই বাঁধে ফাটল দেখা দেয়, কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর কোনো প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।


রবিবার (৫ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে খোলপেটুয়া নদীর তীব্র স্রোতের চাপে সবুর গাজীর বাড়ির কাছে বাঁধে বড় ধরনের ভাঙন সৃষ্টি হয়। মুহূর্তের মধ্যে প্রায় ১০০ হাত বাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায় এবং ভাঙন প্রক্রিয়া এখনো অব্যাহত রয়েছে।


বর্তমানে বাঁধটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ডাম্পিং করা স্থান পর্যন্ত ভাঙন পৌঁছে গেছে। বাঁধের উত্তর দিকে প্রায় ৫০ ফুট এবং দক্ষিণে প্রায় ১০০ ফুট এলাকাজুড়ে আরও দুর্বলতা দেখা দিয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যেকোনো সময় পুরো বাঁধ ধসে গিয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


ভাঙনের খবর পেয়ে আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রুহুল কুদ্দুছসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রুহুল কুদ্দুছ বলেন, “বাঁধটির ভাঙন খুবই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিনিয়ত মাটি

 নদীতে ধসে পড়ছে। গত বছর ঈদের দিন নামাজের সময় বাঁধ ভেঙে পুরো এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। এতে প্রায় ১৫ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আজ রাতের জোয়ারের আগে জরুরি ব্যবস্থা না নিলে বাঁধ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।”
তিনি দ্রুত জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জরুরি ভিত্তিতে ডাম্পিং কার্যক্রম চালুর জোর দাবি জানান।