শনিবার, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আজ বাংলা ও হিন্দি গানের প্লেব্যাক সিঙ্গার অমিত কুমারের শুভ জন্মদিন

আজ বাংলা ও হিন্দি গানের প্লেব্যাক সিঙ্গার অমিত কুমারের শুভ জন্মদিন

আজ বাংলা ও হিন্দি গানের প্লেব্যাক সিঙ্গার অমিত কুমারের শুভ জন্মদিন

১৯৫২ সালের ৩ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন অমিত কুমার, একাধারে এক জন খ্যাতিমান গায়ক, সংগীত পরিচালক ও অভিনেতা। তাঁর জন্ম সংগীতের এক ঐতিহ্যবাহী পরিবারে—পিতা কিংবদন্তি কিশোর কুমার, মাতা বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী রুমা গুহ ঠাকুরতা। ছোটবেলা থেকেই সংগীতের প্রতি ছিল অগাধ টান। কলকাতার দুর্গাপূজার মণ্ডপে গান গাওয়ার মধ্য দিয়েই শুরু হয় তাঁর মঞ্চজীবন।


একবার কলকাতায় উত্তম কুমার আয়োজিত একটি পূজোর অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার সময় শ্রোতাদের অনুরোধে একের পর এক গান পরিবেশন করেন। বিষয়টি মায়ের কানে গেলে তিনি কিশোর কুমারকে জানান। এরপরই কিশোর কুমার ছেলেকে বোম্বেতে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সেই থেকে শুরু হয় চলচ্চিত্রজগতে অমিত কুমারের পথচলা।


কিশোর কুমার প্রযোজিত দুটি ছবিতে—‘দূর গগন কি ছাঁও মে’ এবং ‘দূর কা রাহি’—অভিনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন অমিত কুমার।
এরপর প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসেবে তিনি আত্মপ্রকাশ করেন ১৯৭০ সালে এবং বিশেষত ১৯৭০ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত, আর.ডি. বর্মনের সুরে একের পর এক কালজয়ী গান উপহার দেন শ্রোতাদের।
পুরস্কার ও সম্মান
১৯৮১ সালে ‘লাভ স্টোরি’ ছবির “ইয়াদ আ রাহি হ্যায়” গানের জন্য ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।


এছাড়া ফিল্মফেয়ার নমিনেশন পান –
১৯৮২: ‘তেরি কসম’ – “ইয়ে জমিন গা রাহি হ্যায়”
১৯৮৮: ‘তেজাব’ – “এক দো তিন” (মাধুরী দীক্ষিতের আইকনিক গান)
১৯৮৯: ‘ত্রিদেব’ – “তিরছি টোপিওয়ালে”
১৯৯০: ‘বাগী’ – “ক্যায়সা লাগতা হ্যায়”
বাংলা গানের জগতেও তিনি সমানভাবে সফল। তাঁর কণ্ঠে প্রাণ পেয়েছে অসংখ্য আধুনিক গান ও অ্যালবাম। তাঁর গলায় রয়েছে বাবার সুর, কিন্তু নিজস্ব কণ্ঠস্বত্তা দিয়েই তিনি জয় করেছেন কোটি শ্রোতার হৃদয়।

এই গুণী শিল্পীর জন্মদিনে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা। তাঁর সুরেলা কণ্ঠ অনন্তকাল বেঁচে থাকুক আমাদের মনের গভীরে।