শনিবার, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শিল্পী সমিতির নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশ

শিল্পী সমিতির নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশ

শিল্পী সমিতির নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশ

উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে শুরু হয় শিল্পী সমিতির ২০২৬–২৮ মেয়াদের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ, চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। জুমার নামাজের জন্য দুপুরে এক ঘণ্টার বিরতি থাকবে। এবার ভোটার সংখ্যা ৫৭৩। 

সকালের দিকে ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও ভোটকেন্দ্রে ছিল উৎসবের আমেজ। ভোট দিতে আসা শিল্পীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন প্রার্থী ও তাদের সমর্থকেরা। বিএফডিসির প্রধান ফটকে দেখা যায়, কার্যকরী পরিষদ সদস্য পদপ্রার্থী চিত্রনায়ক শিপন মিত্র ও চিত্রনায়িকা জলি ভোটারদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এ দুই তারকা শিবা শানু–জয় চৌধুরী পরিষদের প্রার্থী।  

অন্যদিকে, ভোটকেন্দ্রের প্রবেশমুখে ভোটারদের স্বাগত জানাতে দেখা যায় সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী রুমানা ইসলাম মুক্তি ও চিত্রনায়ক জয় চৌধুরীকে। তাদের সঙ্গে দেখা যায় কায়েস আরজু, কামরুজ্জামান কমল, সনি রহমান, রিনা খানসহ বিভিন্ন পদের প্রার্থীদের। শিল্পীদের সঙ্গে কুশল বিনিময়, ছবি তোলা এবং ভোট চাওয়ায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তারা। 

সকাল পৌনে ১০টার দিকে ভোট দিতে এফডিসিতে আসেন অভিনেতা ডা. এজাজুল ইসলাম। সকাল সকাল ভোট দিতে আসার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “ডাক্তার পেশায় আছি ভাই। শুক্রবার আমার চেম্বারে অনেক বেশি রোগী থাকেন। তাই সকাল সকাল আসতে হলো। প্রতিবারই সকাল সকাল ভোট দিই।” নির্বাচন নিয়ে প্রত্যাশার কথা জানিয়ে এ অভিনেতা বলেন, “সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন শেষ হোক। নির্বাচনের পর তো আমরা সবাই এক। কোনো বিভেদ না থাকুক।”