একসময় বিনোদনের জগৎ ছিল সীমিত। টেলিভিশনের নির্দিষ্ট কিছু চ্যানেল, সপ্তাহে একদিন সিনেমা কিংবা হাতেগোনা কিছু পত্রিকা ও ম্যাগাজিন-এসবের মধ্যেই দর্শক খুঁজে নিতেন আনন্দের খোরাক। কিন্তু ডিজিটাল বিপ্লবের পর দৃশ্যপট আমূল বদলে গেছে। এখন স্মার্টফোনের এক স্পর্শে হাজির হচ্ছে হাজারো ভিডিও, ওয়েব সিরিজ, শর্টস, রিলস, পডকাস্ট ও লাইভ স্ট্রিম। ফলে বিনোদনের অভাব নয়, বরং অতিরিক্ত কনটেন্টের ভিড়ে মানসম্মত বিনোদন খুঁজে পাওয়া হয়ে উঠেছে নতুন চ্যালেঞ্জ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে বিশ্বের মানুষ ইতিহাসের যে কোনো সময়ের তুলনায় বেশি কনটেন্টের নাগাল পাচ্ছেন। কিন্তু এই বিপুল প্রাচুর্য সবসময় মানসম্মত অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করছে না। বরং অনেক ক্ষেত্রে দর্শক ভুগছেন ‘কনটেন্ট ওভারলোড’ বা তথ্য-অতিরিক্ততার সমস্যায়।
বিশ্বব্যাপী ভিডিও প্ল্যাটফর্মগুলোর ব্যবহার গত এক দশকে কয়েকগুণ বেড়েছে। ইউটিউবে প্রতি মিনিটে শত শত ঘণ্টার ভিডিও আপলোড হচ্ছে। একই সময়ে নেটফ্লিক্স, ডিজনি প্লাস, অ্যামাজন প্রাইম, ম্যাক্সসহ অসংখ্য স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম প্রতিনিয়ত নতুন কনটেন্ট যুক্ত করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিলস, শর্টস ও টিকটকের ভিডিওর সংখ্যা তো প্রায় অগণিত।