পড়শীর সংগীতযাত্রা শুরু হয় খুব অল্প বয়সে। ২০০৮ সালে চ্যানেল আইয়ের জনপ্রিয় গানের প্রতিযোগিতা “ক্ষুদে গানরাজ”-এ অংশ নিয়ে তিনি দ্বিতীয় রানার-আপ হন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০০৯ সালে একটি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার প্রথম রেকর্ডিং এবং একক অ্যালবাম "পড়শী"র কাজ শুরু হয়, যা ২০১০ সালে ঈদ উপলক্ষে প্রকাশিত হয়। এরপর একে একে এসেছে “পড়শী ২” (২০১২), “পড়শী ৩” (২০১৩) সহ আরও বহু জনপ্রিয় গান।
তার গাওয়া "জনম জনম", "হৃদয় আমার", "লাভ স্টেশন", "রেশমি চুড়ি"সহ অনেক গান শ্রোতাদের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছে। আধুনিক ও পপ ধারার গানে তার কণ্ঠে রয়েছে স্বকীয়তা ও আবেগের মেলবন্ধন, যা শ্রোতার মনে এক ভিন্ন আবেদন তৈরি করে।
পড়শীর জন্ম ঢাকায় হলেও তার পৈত্রিক নিবাস ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মৌলভী পাড়া। বাবা প্রকৌশলী এহসান-উর-রশিদ এবং মা জুলিয়া হাসান একজন গৃহিণী। তার একমাত্র ভাই সিয়াত এহসান স্বাক্ষর। পড়শী অক্সফোর্ড ফাউন্ডেশন স্কুল, ভিকারুননিসা নূন স্কুল এবং ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়াশোনা করেন।
শৈশবে নাচ শেখার মধ্য দিয়ে পারফর্মিং আর্টসের প্রতি তার আগ্রহ গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে শাস্ত্রীয় সংগীতেও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। ২০০৭ সালে সরকারি আয়োজিত “কমল কুঁড়ি” প্রতিযোগিতায় দেশাত্মবোধক গানে প্রথম স্থান অর্জন করেন।
সংগীতের প্রতি তার অঙ্গীকার, নিষ্ঠা ও পরিশ্রম তাকে আজকের পড়শী করে তুলেছে। তার কণ্ঠে যেমন প্রাণ আছে, তেমনি আছে সম্ভাবনার শক্ত এক সুর। শোবিজ অঙ্গনে পড়শীর অবস্থান আজ দৃঢ় ও প্রশংসিত।