শ্রীপুর( গাজীপুর)প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে তরুণদের কৌশলে ডেকে এনে গোপনে ভিডিও ধারণের পর তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নারীসহ চারজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় আকন্দ টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের পাশে একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চক্রটির সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তরুণসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। পরে কৌশলে তাঁদের নির্দিষ্ট স্থানে দেখা করতে ডেকে নেওয়া হতো। সেখানে গোপনে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে পরে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করা হতো। টাকা না দিলে সামাজিকভাবে হেয় করার হুমকিও দেওয়া হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার টেপিরবাড়ি এলাকার একটি নির্জন বাড়িতে কয়েকজনের সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড তাঁদের নজরে আসে। পরে তাঁরা বাড়িটিতে গিয়ে নারীসহ কয়েকজনকে আটক করেন। এ সময় আটক ব্যক্তিদের মারধরের ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের হেফাজতে নেয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে কেওয়া এলাকার মুক্তা নামের এক নারী এবং মাটির মসজিদ এলাকার সাকিব ও আপন নামের দুই ব্যক্তি রয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। তবে তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় যুবদল নেতা মাসুদ আহমদ বলেন, ‘চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে হানিট্র্যাপের ফাঁদে ফেলে টাকা আদায় করেছে এমন একাধিক অভিযোগ রয়েছে। মঙ্গলবার টেপিরবাড়ি এলাকায় তাদের কর্মকাণ্ড স্থানীয়দের নজরে আসে।’
তবে আটক ব্যক্তির সংখ্যা ও অভিযোগের বিষয়ে শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাজহারুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আরে ভাই এটাতো ফেসবুকে শত শত লোক দেখতাছে। এটার জন্য ফোন দিতে হয়। লক্ষ লক্ষ লোক ফেসবুকে দেখতাছে।