ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ধজনগর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ নায়েব আলীর রহস্যজনক মৃত্যু ও কথিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার কসবা সুপার মার্কেটের সামনে আয়োজিত এ মানববন্ধনে ধজনগর গ্রামের সর্বস্তরের জনগণ, বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী শ্রেণির মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা নায়েব আলী হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে নানা স্লোগান দেন এবং ঘটনার দ্রুত রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি জানান।
বক্তারা বলেন, মোঃ নায়েব আলী একজন সহজ-সরল ও শান্তিপ্রিয় মানুষ ছিলেন
তার এমন রহস্যজনক মৃত্যু পরিবার ও এলাকাবাসীকে গভীরভাবে মর্মাহত করেছে। তারা অভিযোগ করেন, ঘটনার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও প্রকৃত অপরাধীরা এখনো আইনের আওতায় আসেনি। ফলে নিহতের পরিবার চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে
মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতার করতে হবে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের পেছনে জড়িত সকল ব্যক্তি ও পরিকল্পনাকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা
উল্লেখ্য, গত ২১ আগস্ট কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ধজনগর এলাকায় নিখোঁজের দুই দিন পর একটি ডোবা থেকে ৬০ বছর বয়সী নায়েব আলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা ডোবায় মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দিলে কসবা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে
পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর থেকেই এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়
স্থানীয়দের অনেকেই এটিকে হত্যাকাণ্ড বলে সন্দেহ প্রকাশ করেন এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি জানান। নায়েব আলীর মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করে অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হলে নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার পাবে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনের প্রতি আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে
এদিকে, কসবা থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করতে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে
প্রয়োজনে এতে মানববন্ধনের সময়, বক্তাদের নাম ও পরিবারের বক্তব্য যুক্ত করে আরও পত্রিকার উপযোগী করা যেতে পারে
