বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

৪৯ দিন ধরে পানি নেই কলকাতার মুসলিম বস্তিতে

৪৯ দিন ধরে পানি নেই কলকাতার মুসলিম বস্তিতে

৪৯ দিন ধরে পানি নেই কলকাতার মুসলিম বস্তিতে

কলকাতার জ্যোতি কলোনির মুসলিম বস্তিতে খাবার পানির সংকট ৪৮ দিন পরেও অপরিবর্তিত। সাড়ে তিন হাজার বাসিন্দার এই মুসলিম বস্তির পানি সরবরাহ বন্ধ হয়েছে ২৯ জুলাই ২০২৬ রাত থেকে। ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ের হিসাব ধরলে পানি বন্ধ থাকার সময় প্রায় ৪৯ দিন। পানি ছাড়া অমানুষিক এক জীবনযাপন করছেন বস্তির বাসিন্দারা।

সরজমনে প্রায় এক মাস আগে উত্তর কলকাতার এই বস্তিতে যা দেখা গেছে এক মাস পরও পরিস্থিতি একই রকম। জ্যোতি কলোনির দৈনন্দিন জীবনের অন্যতম বড় সমস্যা এখনা পানীয় জল। ২৯ জুলাই রাত থেকে পানি, আলো সবই বন্ধ হয়েছিল বস্তিবাসীর জন্য। নেতাদের দরবারে কড়া নাড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ ফিরেছে, তবে খাবার পানির সরবরাহ এখনও বন্ধ। 

পানির জন্য নির্ভর করতে হচ্ছে বিকল্প উৎসের উপর। রান্না থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজ—সবকিছুর জন্যই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বাসিন্দাদের। স্বল্প আয়ের এই বাসিন্দাদের হয় খাবার পানি কিনতে হচ্ছে, নয়তো বিকল্প উৎস হিসেবে ভরসা গঙ্গার নোংরা পানি কিংবা এক কিলোমিটার দূরের পাশের পাড়ার সরকারি কলের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। 

এক মাস আগেও একই অভিযোগ করেছিলেন বাসিন্দারা। এক মাস পর বাসিন্দাদের অভিযোগ—সমস্যা এখনও সেই একই জায়গায়। প্রশ্ন উঠছে, দিনের পর দিন যদি একটি জনবসতিতে পানীয় জলের সরবরাহ বন্ধ থাকে, তাহলে তার দায়িত্ব কার?কলকাতার স্থানীয় গণমাধ্যম থেকে আন্তর্জাতিক একাধিক গণমাধ্যমে ইতিমধ্যেই এই বস্তির খবর প্রকাশিত হয়েছে। তারপরও হুঁশ ফেরেনি প্রশাসনের। বাসিন্দাদের দাবি, দ্রুত সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হোক। কিন্তু সেই সমাধান কে করবে সেটাই এখন অজানা।