মোঃ আল আমিন মালদ্বীপ প্রতিনিধি :
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে নতুন সরকারের প্রথম ১৮০ দিনে মালদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ, মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার সুরক্ষার পাশাপাশি বাংলাদেশ-মালদ্বীপের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত ও গভীর করার লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনের হলরুমে মালদ্বীপে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের সঙ্গে একটি সংলাপ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের মূল প্রতিপাদ্য ছিল— “সেবা | সম্পৃক্ততা | সংলাপ — আপনার কথা, আগামীর পথ!”। অনুষ্ঠানে হাইকমিশনের বিভিন্ন শাখার কার্যক্রম, গত ১৮০ দিনের অগ্রগতি, প্রবাসীদের জন্য গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে হাইকমিশনের কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে প্রবাসীদের অভিজ্ঞতা, মতামত, প্রত্যাশা ও সমস্যাগুলো সরাসরি শোনা হয়।
এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হাইকমিশনার ডঃ মোঃ নাজমুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাইকমিশনারের প্রথম সচিব শ্রম কাউন্সিল মোঃ মোতাসিম বিল্লাহ্য ও তৃতীয় সচিব সৈয়দ আমজাদ আলী
এ সময় প্রবাসী বাংলাদেশীর পক্ষ থেকে বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপ বি এন পির সভাপতি মোঃ খলিলুর রহমান প্রবাসী অধিকার পরিষদ মালদ্বীপ শাখার সভাপতি মোঃ আলমগীর সিকদার মালদ্বীপ বি এন পির সহ সভাপতি মোঃ হোসেন সুমন সহ সভাপতি মোঃ ফারুক হোসেন সহ সভাপতি মোঃ মোক্তার হোসেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ রবিউল আলম প্রমুখ।
প্রধান অতিথি হাইকমিশনার ডঃ মোঃ নাজমুল ইসলাম বলেন, “আমাদের প্রবাসী জনগোষ্ঠী বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সেতু। তাদের অবদান শুধু অর্থনৈতিক নয়; দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া, আস্থা ও বন্ধুত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।”
এই দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই আজকের সংলাপের মূল প্রতিপাদ্য— “সেবা | সম্পৃক্ততা | সংলাপ — আপনার কথা, আগামীর পথ!”—নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ-সংক্রান্ত বিষয়ে ৫০টিরও বেশি কূটনৈতিক হস্তক্ষেপ ও সমন্বয় এবং মানবিক সংকট ও জরুরি পরিস্থিতিতে ১০০টিরও বেশি ঘটনা বা ক্ষেত্রে কূটনৈতিক সমন্বয় করা হয়েছে। বিভিন্ন দ্বীপ ও প্রশাসনিক এলাকায় ১০টিরও বেশি সরকারি ও কমিউনিটি সম্পৃক্ততা পরিচালিত হয়েছে।
আগামী দিনগুলোতে প্রবাসীদের কল্যাণ ও সেবা আরও উন্নত করা, দ্বীপভিত্তিক সেবা সম্প্রসারণ, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান, আনুষ্ঠানিক রেমিট্যান্স চ্যানেল সম্প্রসারণ এবং দক্ষ বাংলাদেশি পেশাজীবীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হাইকমিশনের অগ্রাধিকার থাকবে।