অভিনয়ের দৃষ্টিভঙ্গি ও পর্দায় ভিন্নভাবে নিজেকে নিখুঁতভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে অন্যদের থেকে আলাদা হয়ে উঠেছেন তিনি। নাটক, ওটিটি কিংবা রুপালি পর্দা–অভিনয়জীবনের প্রতিটি ধাপে নিজেকে নতুনভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। বাণিজ্যিক সিনেমা ‘তাণ্ডব’ দিয়ে বড়পর্দায় যাত্রা শুরুর পর মুক্তি পাওয়া প্রতিটি কাজে দর্শকের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। এখন তিনি আরও পরিণত হয়ে নির্মাতাদের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠছেন। বলছি, অভিনেত্রী সাবিলা নূরের কথা।
ক্যারিয়ারের শুরু থেকে চরিত্র বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সাবিলার ভাবনা ছিল ভিন্ন। নিজেকে একই ধরনের চরিত্রে সীমাবদ্ধ না রাখার প্রয়াস চালিয়েছেন দিনের পর দিন। এমন চরিত্র খুঁজেছেন, যেখানে দর্শক তাঁকে আগে দেখেননি। সাবিলার ভাষায়, ‘চরিত্র বাছাইয়ের ক্ষেত্রে শুরু থেকে আমার চিন্তা ছিল, আমি ভিন্ন কিছু করতে চাই। এমনভাবে দর্শকের সামনে নিজেকে উপস্থাপন করতে চাই, যেভাবে তারা আমাকে আগে দেখেননি। যে চরিত্রে অভিনেত্রী হিসেবে আমি নতুন কোনো এক্সপেরিমেন্ট করতে পারব, সেভাবে চিন্তা করেছি।’
‘তাণ্ডব’-এর নিশাত, ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর চিত্রা কিংবা ‘রকস্টার’-এর মীরা–প্রতিটি চরিত্রে ছিল আলাদা চ্যালেঞ্জ। যেমন ‘তাণ্ডব’ বাণিজ্যিক ধারার সিনেমা, সেখানে ‘লিচুর বাগানে’ ধরনের গান ছিল, অ্যাকশন ছিল, থ্রিলারও ছিল। আবার ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ পুরোপুরি ভিন্ন টাইপ। তাণ্ডবের সঙ্গে এর কোনো দিক থেকে মেলানো যাবে না। ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর চিত্রার চেয়ে ‘রকস্টার’-এর মীরা একেবারে আলাদা। কাজেই একটির সঙ্গে আরেকটির তুলনা চলে না। সিনেমাগুলোর গল্পও অসাধারণ! টেকনিক্যাল বিষয়টিও উন্নত। তিনটি চলচ্চিত্রে কাজ করে তিন ধরনের চরিত্রে নিজেকে হাজির করতে পারাকে নিজের জন্য সৌভাগ্যের বলে মনে করেন সাবিলা। দর্শকের ভালোবাসা ও প্রশংসা তাঁকে আরও নতুন কিছু করার সাহস দিচ্ছে।
বিনোদন প্রতিবেদক
মোহিত লাল সাহা
