কয়েক দিন আগে এক সাক্ষাৎকারে স্মৃতিচারণ করেন আমিন খান। তিনি বলেন, “সালমান শাহ যেদিন আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন, সেদিন আমি এফডিসিতে ছিলাম। সকালবেলা প্রযোজক ও পরিচালকদের যে কান্না দেখেছি, মনে হচ্ছিল তাদের সবকিছু শেষ হয়ে গেছে।”
সালমান শাহর আকস্মিক মৃত্যুতে শুধু শোক নয়, তার অসমাপ্ত সিনেমাগুলো ঘিরে প্রযোজক-পরিচালকদের মধ্যে তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তাও। তাদের সেই পরিস্থিতি দেখেই কাজগুলো শেষ করার কথা ভেবেছিলেন আমিন খান।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, “আমার মনে হচ্ছিল, আমি যদি অন্তত তাদের এই অসমাপ্ত কাজটা গল্প ঘুরিয়ে করা সম্ভব হলে, সালমানকে রেখে করা সম্ভব হলে করে দিই, অন্তত এই মানুষগুলো সারভাইভ করতে পারবেন।”
বন্ধুর প্রতি ভালোবাসা ও চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট মানুষগুলোর কথা ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন আমিন খান। তিনি বলেন, “তখন আমার মনে হয়েছে, যদি অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করতে পারতাম, তাহলে হয়তো আমার বন্ধুর আত্মা শান্তি পেত। এছাড়া সিনেমার সঙ্গে যারা ছিলেন, তারা যে কষ্ট পেয়েছেন, এই কষ্টটা যদি না থাকে, তাহলে তার আত্মা শান্তি পাবে। সেই থেকেই বলা।”
সালমান শাহর সঙ্গে খুব বেশি সিনেমায় কাজ না করলেও ব্যক্তিগতভাবে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা ছিল। একসঙ্গে কাটানো সময়ের স্মৃতি তুলে ধরেন আমিন খান। তিনি বলেন, “যেহেতু একসঙ্গে বেশি সিনেমা করিনি তার সঙ্গে, কিন্তু একসঙ্গে অনেক গল্প করেছি, একসঙ্গে চলেছি। সেই থেকেই বলা।”
সালমান শাহর অসমাপ্ত সিনেমাগুলোর মধ্যে শেষ পর্যন্ত ‘স্বপ্নের নায়ক’-এ কাজ করার সুযোগ হয়েছিল আমিন খানের। গল্পের প্রয়োজনে পরিবর্তন এনে সিনেমাটির কাজ শেষ করা সম্ভব হয়েছিল বলে জানান তিনি।
আমিন খান বলেন, “একটা সিনেমা করার সুযোগ হয়েছিল। সুযোগ মানে সেখানে স্কোপ ছিল গল্পটা সুন্দর করে আবার টার্ন করানোর। এজন্য একটা সিনেমাই করা সম্ভব হয়েছিল, ‘স্বপ্নের নায়ক’। আরগুলো হয়তো গল্পের জন্য সম্ভব হয়নি।”
বিনোদন প্রতিবেদক
মোহিত লাল সাহা