সোমবার, আগস্ট ১০, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ফুলবাড়ীতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগে মানববন্ধন।

ফুলবাড়ীতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগে মানববন্ধন।

ফুলবাড়ীতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগে মানববন্ধন।

মোঃ নাজমুল হাসান, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : 

‎কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার এস এস দারুল খাঈর মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থীকে  বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে ওই মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচারের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে এলাকাবাসী। 
‎মঙ্গলবার বিকাল চারটার দিকে উপজেলার রাবাইতারী এলাকায় খড়িবাড়ী বাজার টু নাগেশ্বরী পাকা সড়কের পাশে অবস্থিত মাদ্রাসার প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। 
‎অভিযোগে জানা যায়, গত ৫ এপ্রিল রাতে পার্শ্ববর্তী একটি অনুষ্ঠান দেখতে যায় মাদ্রাসার বেশকিছু শিক্ষার্থী। ওই সময় মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী তাফসীর সরকার (৮) মাদ্রাসায় অবস্থান করছিল। এই সুযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক হামিদুল হক জোরপূর্বক ওই শিক্ষার্থীকে বলাৎকার করেন। পরবর্তীতে শিশুটি বাড়ি যেতে চাইলে তাকে আটকে রাখা হয়। পরের দিন বাবার অসুস্থতার অজুহাতে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে কান্নাকাটি করলে পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে পুরো ঘটনা খুলে বলে।
‎বিষয়টি জানাজানি হলে গত সোমবার রাতে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসাটিতে তালা ঝুলিয়ে দেন।
‎ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী তাফসীর সরকার উপজেলার রামরাম সেন গ্রামের শাহিন সরকারের ছেলে এবং অভিযুক্ত শিক্ষক হামিদুল হক পার্শ্ববর্তী নাগেশ্বরী উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের হাজিটারী গ্রামের নুরল হকের ছেলে। 

‎ওই শিক্ষার্থীর বড় ভাই সেতু সরকার বলেন,
‎আমার ছোট ভাই মাদ্রাসায় পড়ে। সেদিন রাতে সবাই বাইরে অনুষ্ঠানে থাকায় ওই শিক্ষক সুযোগ নিয়ে তার ওপর নির্যাতন চালায়। আমার ভাই বাড়িতে এসে কান্নাকাটি করে আমাদের সব জানায়। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই এবং দোষী শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

‎এ প্রসঙ্গে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস ছালাম সুজার মোবাইল ফোনে একাধিক বার কল করলেও ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

‎ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক রয়েছেন। এদিকে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষী শিক্ষকের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানিয়েছে মানববন্ধনকারীরা।