ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা এলাকায় কুকুরের কামড়ে গবাদিপশু আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
বিশেষ করে ছাগল, ভেড়া ও গরু আক্রান্ত হওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়ছেন খামারি ও কৃষকরা। সরকারি পর্যায়ে বর্তমানে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিনের সরবরাহ বন্ধ থাকায় কৃষককে নিজ খরচে বাজার থেকে ভ্যাকসিন কিনে পশুর চিকিৎসা করাতে হচ্ছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রতি কুকুরের আক্রমণে একাধিক গবাদিপশু আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এতে জলাতঙ্কের ঝুঁকি নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন পশুপালনকারীরা।
কসবা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সোহেল রানা জানান, কুকুরের জলাতঙ্ক প্রতিরোধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। অতি শিগগিরই পৌরসভার সকল ওয়ার্ডে কুকুরকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনার কার্যক্রম শুরু হবে। এতে জলাতঙ্কের ঝুঁকি কমবে এবং কৃষকরা উপকৃত হবেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. ছামিউল ইসলাম বলেন, পৌর এলাকায় জলাতঙ্কের প্রকোপ কমাতে শিগগিরই কুকুরকে ভ্যাকসিন প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের সব কুকুরকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
এদিকে কসবা পৌরসভার গঙ্গানগর গ্রামের বাসিন্দা সেলিনা আক্তার জানান, দুপুরের দিকে একটি কুকুর তার পালিত ছাগলের ওপর হামলা চালিয়ে গুরুতরভাবে আহত করে। পরে চিকিৎসার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হয়েছে।
স্থানীয় কৃষক ও খামারিরা দ্রুত ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু এবং কুকুর নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে গবাদিপশু ও সাধারণ মানুষ জলাতঙ্কের ঝুঁকি থেকে নিরাপদ থাকতে পারেন। স্থানীয় বাসিন্দা কসবা শীতলপাড়ার জুয়েল মিয়া জানান কুকুরের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। শিশু কিশোর বয়ো বৃদ্ধসহ নানান পেশার শ্রমজীবী মানুষ রাস্তাঘাটে চলাফেরা করতে অসুবিধা হচ্ছে। স্থানীয় এলাকাবাসী প্রশাসনের নিকট আশু পদক্ষেপ কামনা করছেন |
শাহ মুহাম্মদ ফুরকানুল ইসলাম।
