নিউজ ডেস্ক :
চা বিরতি শেষে প্রথম ওভারেই আক্রমণ করতে আসেন তাইজুল ইসলাম। ওভারের একটি বল ব্যাটার আব্দুল্লাহ ফজলের প্যাডে আঘাত করে। আম্পায়ার রিচার্ড কেটলবরো শুরুতে আউট না দিলেও বাংলাদেশ রিভিউ নেয়। রিপ্লেতে দেখা যায় বল সরাসরি স্টাম্পে আঘাত করছে। এতে ফজলকে (৬৬) ফিরতে হয় সাজঘরে। এর মাধ্যমেই ভাঙে ৪৮ রানের বিপজ্জনক জুটি। তাইজুলের পর আঘাত হানেন তাসকিন আহমেদ। তার বলে আউটসাইড এজ হয়ে স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা সাদমান ইসলামের হাতে ক্যাচ দেন সালমান আলী আঘা। ৩৯ বলে ২৬ রান করে ফেরেন সালমান।
পাকিস্তান এখন ৫ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্য থেকে অনেক দূরে। তাদের দরকার ১৩৭ রান, হাতে আছে ৫ উইকেট। অন্যদিকে, জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন আর মাত্র ৫টি উইকেট।এর আগে প্রথম সেশনে ১ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় সেশনে আরও ২ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে বাংলাদেশ। চা-বিরতিতে যাওয়ার সময় ৩১ ওভারে পাকিস্তানের রান ৩ উইকেটে ১১৬। ৬৬ রানে অপরাজিত ছিলেন আব্দুল্লাহ ফজল। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন সালমান আলী আঘা (২১*)। চতুর্থ উইকেটে এই দুজনে অবিচ্ছিন্ন ৪৮ রানের জুটি গড়ে পাকিস্তানকে জয়ের স্বপ্ন দেখিয়েছেন। জয়ের জন্য তৃতীয় ও শেষ সেশনে ৭ উইকেট চাই স্বাগতিকদের। অন্যদিকে জয়ের জন্য শেষ সেশনে পাকিস্তানের দরকার ১৫২ রান।
দ্বিতীয় ইনিংসে ২৪০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে পাকিস্তানকে ২৬৮ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় বাংলাদেশ।
