মঙ্গলবার, আগস্ট ৪, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নাম পরিবর্তন নিয়ে নতুন বিতর্ক

নাম পরিবর্তন নিয়ে নতুন বিতর্ক

নাম পরিবর্তন নিয়ে নতুন বিতর্ক

পাবনার বেড়া উপজেলার ‘ফকিরকান্দি নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়’টির নাম পরিবর্তন করে প্রতিষ্ঠা কালীন নাম চেয়ে আবেদন করেছেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব। স্থানীয় সূত্রের দাবী এটি কোনো নতুন নামকরণ নয়, বরং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বদলে যাওয়া বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন নাম পুনর্বহালের একটি ন্যায়সংগত আবেদন।
গত সোমবার (১৫ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি মাধ্যমিক শাখা থেকে সিনিয়র সহকারী সচিব শিরীন আক্তার স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি ইস্যু করা হয়। চিঠিটি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও পাবনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। চিঠির তথ্যানুযায়ী, বর্তমান ‘ফকিরকান্দি নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়’ নাম পরিবর্তন করে পূর্বের ‘জাকিয়া হাবিব নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়’ রাখার প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে পরিদর্শন ও সুস্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনিক নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০০১ সালের পর প্রতিষ্ঠানটি মূলত সংসদ সদস্যের মা জাকিয়া হাবিবের নামেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০১০ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে (স্মারক নং- শিম/শা: ১১/৫-১/২০১০/১২৫) নাম পরিবর্তন করে এলাকাভিত্তিক ‘ফকিরকান্দি নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়’ করা হয়। বর্তমান সংসদ সদস্য মূলত পূর্বের সেই নামটুকুই ফিরিয়ে আনার জন্য আবেদন করেছেন।
স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের মতে, সেলিম রেজা হাবিব একজন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী এবং তাঁর হাত ধরে এই অঞ্চলে অসংখ্য স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ ‘কাশীনাথপুর মহিলা কলেজ’ এর কথা উল্লেখ করে তাঁরা বলেন, এমপি সাহেব চাইলে সেটি নিজের নামে করতে পারতেন, কিন্তু তা করেননি।
তাঁদের দাবি, কিছু সংবাদমাধ্যমে ঘটনাটিকে এমনভাবে প্রচার করা হচ্ছে যেন সংসদ সদস্য নতুন করে তাঁর মায়ের নামে কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম দিতে যাচ্ছেন, যা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর ও অপেশাদার সাংবাদিকতা। প্রকৃতপক্ষে, বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক কারণে কাটা পড়া নামটি স্থানীয় জনগণের দাবির মুখেই পুনরায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নীতিমালা মেনেই এই আবেদনের যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।