ব্ল্যাক আনোয়ার রূপালি পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন সুয়োরানী দুয়োরানী চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। এরপর একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে তিনি দর্শকদের হৃদয়ে স্থায়ী আসন গড়ে নেন। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি টেলিভিশন ও মঞ্চেও তিনি ছিলেন সমান দক্ষ ও প্রশংসিত।
ব্যথার দান (১৯৮৯) চলচ্চিত্রে অসাধারণ অভিনয়ের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন (শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা বিভাগে)। তাঁর সর্বশেষ অভিনীত চলচ্চিত্র ছিল কাবুলিওয়ালা। ২০০৭ সালের ১০ নভেম্বর এই গুণী শিল্পী পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও তাঁর অভিনয় আজও দর্শকের হৃদয়ে অম্লান।
অন্যদিকে, তাঁরই ছোট বোন রেহানা জলি ১৯৮৫ সালে মা ও ছেলে চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক করেন। প্রথম চলচ্চিত্রেই অনবদ্য অভিনয়ের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন (শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেত্রী বিভাগে), যা তাঁর অভিনয়জীবনের এক গৌরবময় সূচনা।
এক ভাই, এক বোন—দুজনেই নিজেদের প্রতিভা, পরিশ্রম ও অভিনয়শৈলীতে সমৃদ্ধ করেছেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে। তাঁদের শিল্পীজীবন যেমন অনুপ্রেরণার, তেমনি ভাই-বোনের এই সুন্দর সম্পর্কও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে আজও ভালোবাসার এক উজ্জ্বল অধ্যায়।
শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করি ব্ল্যাক আনোয়ার ও রেহানা জলিকে। তাঁদের অবদান বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে চিরকাল উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।