চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের 'ফেজ-২'। যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগে টানা ১৩তম রাতে ইরানের হামলার পর অভিযান সাময়িকভাবে থামাতে নির্দেশ দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তবে, এই ১৩ দিন প্রতিপক্ষ ইরান, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে, একের পর এক মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়। সামরিকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে চাপে রাখতে হামলা অব্যাহত রাখে ইরান। একইসঙ্গে, যুদ্ধের ব্যয় নিয়েও ভাবতে হচ্ছে দেশটিকে। তবে, যুদ্ধের এই দ্বিতীয় পর্যায়ে, শত্রুর রণকৌশল ভালভাবে পর্যবেক্ষণ করে ইরান। আর তাই, হামলায় হজ কাশেম, ইস্কান্দার মিসাইল ব্যবহার না করে, ময়দানে নামানো হয়েছে ‘খাইবার শেকান’ মিসাইল।
ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের অস্ত্রাগারের অন্যতম প্রধান এই হাতিয়ার এক কথায় সস্তা। এছাড়াও সহজে স্থানান্তরযোগ্য ও যেকোনো টার্গেটে পারফেক্ট অ্যাকুরেসি নিয়ে হামলা। এই মিসাইলের পাল্লা অন্তত ১ হাজার ৪০০ কিলোমিটার।
ইউএস সেনাদের বরাত দিয়ে জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, জুলাই মাসে, সংঘাতের দ্বিতীয় দফা শুরু হওয়ার পর থেকেই মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে একের পর এক খাইবার শেকান ছুড়ছে ইরান। কিন্তু কেন এই মিসাইল-ই হামলায় ব্যবহার করছে ইরান?
সমর বিশ্লেষকদের দাবি, মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করতে তারা এখন এক অভিনব কৌশল নিয়েছে। একইসঙ্গে নানা রকম উড্ডয়ন-পথ (ফ্লাইট পাঠ), রণকৌশল ও গতির মিশ্রণ ঘটিয়ে হামলা চালানো হচ্ছে।
