জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় খোলাবাজারে বিক্রয় (ওএমএস) কর্মসূচির আওতায় আটা বিতরণে অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তিন খাদ্য কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় সরকারি খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ওএমএস কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দ ও বিতরণ করা আটা নিয়ে জানতে চাইলে কালাই উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা হুমায়ূন আহমেদ বলেন, “সবাই মিলেমিশে খাই। আটা কয় টন আসে, আমরা সবাই ভাই-ব্রাদার মিলে-মিশে খাই।” এ ধরনের অনিয়ম বন্ধ করা হবে কি না—এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো জবাব না দিয়ে হাসতে থাকেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
কর্মকর্তার এমন বক্তব্যের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। সরকারি খাদ্য কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এলে তা খতিয়ে দেখে তিন খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তের প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল সরকারি খাদ্য কর্মসূচিতে অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, ওএমএসের মতো জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সুযোগ না দিয়ে নিয়মিত তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সরকারি বরাদ্দের খাদ্যসামগ্রী প্রকৃত উপকারভোগীদের মধ্যে সুষ্ঠুভাবে বিতরণ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের নজরদারি আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তসাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মো:সুমন মন্ডল,জয়পুরহাট(কালাই) প্রতিনিধি:
