সোমবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মাগুরায় ট্রাফিক পুলিশ সদস্যকে চড়-থাপ্পড়ের অভিযোগ, অডিও ছড়িয়েছে

মাগুরায় ট্রাফিক পুলিশ সদস্যকে চড়-থাপ্পড়ের অভিযোগ, অডিও ছড়িয়েছে

মাগুরায় ট্রাফিক পুলিশ সদস্যকে চড়-থাপ্পড়ের অভিযোগ, অডিও ছড়িয়েছে

মাগুরায় কামরুল ইসলাম নামে এক ট্রাফিক পুলিশ সদস্যকে চড়-থাপ্পড় ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে সাবেক যুবলীগ নেতা ও মাগুরা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি মীর আবু সাঈদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে শহরের মিরপাড়া মোড় এলাকায় একটি ‘স’ মিলের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
ছড়িয়ে পড়া অডিওতে শোনা যায়, ঘটনার সময় পুলিশ সদস্য কামরুল ইসলাম সেখানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় দোতলা ভবন থেকে মীর আবু সাঈদ নিচে কে বসে আছেন জানতে চান। জবাবে কামরুল নিজেকে পুলিশ সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন। অভিযোগ রয়েছে, পরিচয় দেওয়ার পরও আবু সাঈদ নিচে এসে তাকে গালিগালাজ করেন এবং একপর্যায়ে চড়-থাপ্পড় মারেন। পরে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে কামরুলের কাছে ক্ষমা চান এবং গাড়ি নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মীর আবু সাঈদ হোয়াটসঅ্যাপে বলেন, ঘটনাটি মিথ্যা এবং এর কোনো প্রমাণ নেই। অডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি জানানো হলে তিনি সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুর রহমান খান পিকুল বলেন, ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক পরিচয়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। তিনি পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
ঘটনার বিষয়ে মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আগে ঘটনাটি জানি, তারপর জানাব। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে পরবর্তী কোনো বক্তব্য বা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে আরও জানা যায়, মীর আবু সাঈদের বিরুদ্ধে ১৮টি মামলা রয়েছে এবং তিনি সাজাপ্রাপ্ত হয়ে জামিনে রয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। জেলা পুলিশের তালিকায় তাকে শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।  পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি: