ভক্তদের কাছে তিনি “বেবো” নামে পরিচিত। অসাধারণ অভিনয় দক্ষতা, সৌন্দর্য আর বহুমুখী চরিত্রের মাধ্যমে তিনি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বলিউডকে উপহার দিয়েছেন অসংখ্য স্মরণীয় সিনেমা।
পরিবার ও শৈশব-
কাপুর পরিবারের উত্তরসূরি কারিনা হলেন অভিনেতা রণধীর কাপুর ও অভিনেত্রী ববিতা শিবদাসানির কন্যা। তিনি কিংবদন্তি অভিনেত্রী কারিশমা কাপুরের ছোট বোন।
তার পিতামহ রাজ কাপুর, প্রপিতামহ পৃথ্বীরাজ কাপুর—যারা ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে অমর নাম।
মা অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় আন্না কারেনিনা বই পড়ার সময় থেকেই তার নাম রাখা হয় "কারিনা"।
কর্মজীবন
২০০০ সালে রিফিউজি চলচ্চিত্রে অভিষেকের মাধ্যমে বলিউডে যাত্রা শুরু করেন।
চামেলি (২০০৩), দেব (২০০৪), ওমকারা (২০০৬), উড়তা পাঞ্জাব (২০১৬)-এর মতো ছবিতে ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয় করে সমালোচকদের প্রশংসা পান।
বাণিজ্যিকভাবে সফল চলচ্চিত্রগুলির মধ্যে রয়েছে— কভি খুশি কভি গম, জব উই মেট, সিংহম রিটার্নস, বজরঙ্গি ভাইজান, কি অ্যান্ড কা প্রভৃতি।
এ পর্যন্ত ছয়বার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেছেন তিনি।
ব্যক্তিজীবন-
২০১২ সালে অভিনেতা সাইফ আলি খান-কে বিয়ে করেন। তাদের দুই সন্তান— তৈমুর ও জাহাঙ্গীর।
অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি একজন ফ্যাশন আইকন, লেখক এবং রেডিও হোস্ট হিসেবেও কাজ করেছেন।
সম্মাননা-
রিফিউজি, চামেলি, দেব, ওমকারা, উড়তা পাঞ্জাব সহ একাধিক ছবিতে দুর্দান্ত অভিনয়ের জন্য তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছেন।
আধুনিক বলিউডে নারীনির্ভর চরিত্রের শক্তিশালী কণ্ঠস্বর হিসেবে কারিনা কাপুর খানকে একজন ট্রেন্ডসেটার ধরা হয়।
আজকের দিনে বলিউডের এই প্রতিভাবান অভিনেত্রীকে জানাই জন্মদিনের অশেষ শুভেচ্ছা।
সুস্থ থাকুন, দীর্ঘজীবী হোন এবং আমাদেরকে উপহার দিন আরও অনেক স্মরণীয় চরিত্র ও অনবদ্য চলচ্চিত্র।
বিনোদন প্রতিবেদক
মোহিত লাল সাহা