বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, ওসমান হাদির ওপর গুলির মতো নৃশংস ঘটনা আবারও ঘটতে পারে। তিনি বলেন, দেশ যখন একটি নতুন অধ্যায়ের দিকে এগোচ্ছে এবং জনগণ একটি সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনের স্বপ্ন দেখছে, ঠিক তখনই দেশবিরোধী চক্র পরিকল্পিত সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ছে।
আজ রোববার সকালে রাজধানীর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, মুক্তিযুদ্ধের শেষ প্রান্তে যখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পরাজয় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল, তখনই তারা এ দেশের মেধাবী মানুষদের নিশ্চিহ্ন করার পরিকল্পনা নেয়। শিক্ষক, চিকিৎসক, গবেষক, সাংবাদিক ও সাহিত্যিকদের ধরে নিয়ে হত্যা করা হয়, যাতে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করে দেওয়া যায়। এটি ছিল একটি সুপরিকল্পিত গণহত্যা।
তিনি বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে আমরা সেই নির্মম ইতিহাস বারবার স্মরণ করি। একইভাবে ২০২৪ সালেও আমাদের সন্তানদের ওপর দমন-পীড়ন ও হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছে। আজ যখন দেশ গণতন্ত্রের পথে ফেরার সম্ভাবনা তৈরি করেছে, তখন আবারও হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটছে-যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা জানাই এবং আশঙ্কা করছি, এ ধরনের সহিংসতা আরও বাড়তে পারে।
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, অসুস্থ দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আমরা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে এখানে এসেছি। আমরা দৃঢ় অঙ্গীকার করছি-যে কোনো মূল্যে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা রক্ষা করা হবে।
তিনি স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য আত্মত্যাগকারী সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথাও গভীর সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করেন।
