রবিবার, আগস্ট ৩০, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মেক্সিকোতে ট্রেন দুর্ঘটনায় ১৩ জন নিহত

মেক্সিকোতে ট্রেন দুর্ঘটনায় ১৩ জন নিহত

মেক্সিকোতে ট্রেন দুর্ঘটনায় ১৩ জন নিহত

দক্ষিণ মেক্সিকোর ইন্টারওসেনিক একট ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছে। এছাড়া শতাধিক আহত হয়েছেন। রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) নিজান্দা শহরের এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে দেশটির নৌবাহিনী। এ সময় ট্রেনটিতে মোট ২৫০ জন যাত্রী ছিলেন।

নৌবাহিনীর দেয়া তথ্যের বরাতে সিএনএন জানায়, ওয়াক্সাকার অঙ্গরাজ্যের আসুনসিওন ইক্সটালটেপেক এলাকায় ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়। ভেরাক্রুজ ও সালিনা ক্রুজকে সংযোগকারী মূল রেলপথে চলছিল ট্রেনটি।

মেক্সিকান নৌবাহিনীর বিবৃতি অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে ৩৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, আর বাকিরা তুলনামূলকভাবে হালকা আঘাত পেয়েছেন। দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য পাঠানো হয়েছে শতাধিক নৌসেনা ও উদ্ধারযান।

দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল আর্নেস্টিনা গডয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে জানান, দুর্ঘটনার কারণ নির্ধারণে একটি তদন্ত শুরু করা হবে। এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শেইনবাউমও।

এক্সে দেয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, নিহত ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে নৌবাহিনীর সচিব এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মানবাধিকারবিষয়ক উপসচিবকে ঘটনাস্থলে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মেক্সিকান নৌবাহিনী পরিচালিত ইন্টারওসেনিক ট্রেনটি দেশটির প্রশান্ত মহাসাগর ও মেক্সিকো উপসাগরীয় উপকূলকে সংযুক্ত করে। এই ট্রেনের মূল রেললাইনটি ২০২৩ সালে চালু হয়। দক্ষিণ মেক্সিকোর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা এবং পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে পানামা খালের বিকল্প পথ তৈরি করার লক্ষ্য নিয়ে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাডোরের উদ্যোগে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়।