সোমবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শাহবাজ শরিফ ও আসিম মুনিরকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়ার দাবি উঠল পাকিস্তানে

শাহবাজ শরিফ ও আসিম মুনিরকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়ার দাবি উঠল পাকিস্তানে

শাহবাজ শরিফ ও আসিম মুনিরকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়ার দাবি উঠল পাকিস্তানে

বর্তমানে গভীর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটে রয়েছে পাকিস্তান। এর মাঝেই দেশটিতে একটি অপ্রত্যাশিত ও চমকপ্রদ দাবি উঠেছে। কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠী ও গণমাধ্যমের একাংশ মনে করছে, সেনাপ্রধান আসিম মুনির এবং প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য বিবেচনা করা উচিত। এই দাবির পেছনে তাদের যুক্তি হলো, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমাতে পাকিস্তান নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাদের মতে, দেশটির সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা না থাকলে বড় ধরনের সংঘাত তৈরি হতে পারত। ফেডারেশন অব পাকিস্তান চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মতো সংগঠনও এই দাবিকে সমর্থন করছে।

ব্যবসায়ী মহলের বক্তব্য অনুযায়ী, আসিম মুনিরের নেতৃত্বে পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কাজ করছে। পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গোপন সমঝোতা তৈরিতেও পাকিস্তানের সরকার ও গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে তারা দাবি করছে।

এদিকে, পাকিস্তানের কিছু গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এই দাবির পক্ষে প্রচার চালানো হচ্ছে। তাদের বক্তব্য, অতীতে বিভিন্ন দেশের নেতারা শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন—তাহলে পাকিস্তানের এই দুই নেতাকেও কেন দেওয়া হবে না? তারা মনে করছে, বিশ্বশান্তিতে পাকিস্তানের অবদান তুলে ধরার এখনই উপযুক্ত সময়।

তবে এই দাবি ঘিরে দেশ-বিদেশে ব্যাপক সমালোচনা ও বিদ্রূপ শুরু হয়েছে। সমালোচকদের মতে, যেখানে পাকিস্তান নিজেই অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংকট, সন্ত্রাসবাদ এবং তীব্র মূল্যস্ফীতির সমস্যায় জর্জরিত, সেখানে দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের জন্য নোবেল পুরস্কার দাবি করা বাস্তবসম্মত নয়।