শনিবার, আগস্ট ২৯, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জামিনের পর দীর্ঘ বিবৃতিতে যা বললেন মেহজাবীন

জামিনের পর দীর্ঘ বিবৃতিতে যা বললেন মেহজাবীন

জামিনের পর দীর্ঘ বিবৃতিতে যা বললেন মেহজাবীন


জামিনের পর দীর্ঘ বিবৃতিতে যা বললেন মেহজাবীন

বিবৃতিতে মেহজাবীন চৌধুরী লিখেছেন, ‘একজন অজানা ব্যক্তি ২০২৫ সালের মার্চ মাসে আমার ও আমার ১৯ বছর বয়সী ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন। গত ৯ মাসে আমি এই মামলার কোনো তথ্য পাইনি, কারণ অভিযোগকারী ব্যক্তি পুলিশকে আমার সঠিক ফোন নম্বর, সঠিক ঠিকানা বা কোনো যাচাইকৃত তথ্য দিতে পারেননি। তিনি দাবি করেন যে ২০১৬ সাল থেকে তিনি আমার সাথে ব্যবসা করছিলেন। কিন্তু, কোনো যোগাযোগের প্রমাণ নেই। তিনি বলেন যে, তিনি ২০১৬ সাল থেকে আমাকে ফেসবুকে মেসেজ দিতেন। কিন্তু তিনি একটি মেসেজ যেটা তিনি আমাকে পাঠিয়েছিলেন মেসেঞ্জারে, হোয়াটসঅ্যাপ বা আমার নম্বরে কিংবা আমার পক্ষ থেকে একটি উত্তর, এমনকি একটি স্ক্রিনশটও দেখাতে পারেননি তিনি।’

তার পরিচয় অসম্পূর্ণ উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘অভিযোগকারীর সম্পূর্ণ পরিচয়পত্র এখনো জমা দেয়া হয়নি। তার এনআইডি পর্যন্ত অনুপস্থিত। গতকাল রোববার খবর প্রকাশ হওয়ার পর থেকে অভিযোগকারী ও তার আইনজীবী ফোন বন্ধ করে রেখেছেন।’

আর্থিক লেনদেনের কোনো প্রমাণ নেই দাবি করে তিনি আরও লেখেন, ‘তিনি আমাকে ২৭ লাখ টাকা দিয়েছেন কিন্তু তিনি প্রমাণ দেখাতে পারেননি। কোনো ব্যাংক লেনদেন, কোনো চেক, বিকাশ লেনদেন, কোনো লিখিত চুক্তি, কোনো রশিদ, কোনো সাক্ষী, এমনকি একটি কাগজপত্রও নেই।’

ফেব্রুয়ারির ঘটনাটি সম্পূর্ণ প্রমাণহীন বলে দাবি করে এই অভিনেত্রী লেখেন, ‘১১ ফেব্রুয়ারি আমি তাকে চোখ বেঁধে হাতিরঝিল এর একটি রেস্টুরেন্টে নিয়ে গিয়েছিলাম, আমার ছোট ভাইসহ আরও ৪–৫ জনকে নিয়ে। গত ৯ মাসে রেস্টুরেন্ট বা আশেপাশের রাস্তার এক সেকেন্ডেরও সিসিটিভি ফুটেজ, কোনো সাক্ষী, কোনো প্রমাণ কিছুই তিনি দেখাতে পারেননি। হাটিরঝিল ঢাকার সবচেয়ে বেশি সিসিটিভি-নিয়ন্ত্রিত এলাকা —তবুও তিনি একটি ছবি বা ভিডিও ফুটেজ দেখাতে পারেননি।’

নোটিশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘গত ৯ মাসে কোনো নোটিশ পাইনি। কোনো পুলিশ স্টেশনের ফোন কল, কোনো কোর্টের নোটিশ বা ডকুমেন্ট কিছুই পায়নি। একটি নোটিশ পেলেও আমি অনেক আগে থেকেই আইনি ব্যবস্থা নিতাম।’

আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল উল্লেখ করে এই অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এই মামলার কোনো ভিত্তি না থাকলেও, যখন জানতে পারলাম যে একটি অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট জারি হয়েছে, তখন আমি আইনি প্রক্রিয়া মেনে জামিন নিয়েছি। কারণ আমি আমাদের  আইন ও নিয়ম মানি। প্রমাণ ছাড়া দায়ের করা মামলা কখনো সত্য হয়ে যায় না। সত্য খুব দ্রুতই আদালতে পরিষ্কার হয়ে যাবে। এখনকার দিনে কাউকে অপমান করা, মানহানি করা বা ভাইরাল হওয়ার জন্য অন্যকে ব্যবহার করা খুবই সহজ হয়ে গেছে। এই ব্যক্তির যেই উদ্দেশ্যই থাকুক, আমার বা আমার পরিবারের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করে সে যা-ই করতে চায় —আমি বিশ্বাস করি সবকিছু খুব দ্রুতই পরিষ্কার হয়ে যাবে।’