শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

শ্রীপুর হাসপাতালে তথ্য না দেওয়ায় সাংবাদিকদের হয়রানি

শ্রীপুর হাসপাতালে তথ্য না দেওয়ায় সাংবাদিকদের হয়রানি

শ্রীপুর হাসপাতালে তথ্য না দেওয়ায় সাংবাদিকদের হয়রানি

 গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাংবাদিকরা নিয়মিতভাবে তথ্য না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জরুরি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ও কর্মীদের অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং দায়িত্ব পালনে গাফিলতির কারণে তথ্য সংগ্রহে সাংবাদিকরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় এক গৃহবধূকে জবাই করে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করার পর সাংবাদিকরা তথ্য নিতে গেলে এই ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। আহত নারী তিন সন্তানকে নিয়ে বিচারপ্রার্থনা করতে হন্যে হয়ে ঘুরছেন বলে জানা গেছে।
বুধবার(২৬ নভেম্বর) শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে গিয়ে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে জরুরি বিভাগের মহিলা মেডিকেল অফিসার ডা. ফারজানা কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি। বরং তিনি সাংবাদিকদের আবাসিক মেডিকেল অফিসারের (আরএমও) কাছে যেতে বলেন। পরে বিষয়টি আরএমও ডা. বিজন মালাকারকে জানালে তিনি ফোন করে জরুরি বিভাগকে তথ্য দিতে নির্দেশ দেন। ফোনালাপে ডা. বিজনকে বলতে শোনা যায়,
“নরমালি আমরা কোনো ফিজিক্যাল পেশেন্টের তথ্য দিই না। তুমি যেহেতু পাঠাইছ, তাই দিয়ে দেবে।”
তবে সাংবাদিকরা অভিযোগ করেন, সরাসরি জরুরি বিভাগে উপস্থিত হয়েও তারা তথ্য পাননি। বরং তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়। এ সময় জরুরি বিভাগের চিকিৎসকের পাশে থাকা সিনিয়র নার্স-বয় ফজলুল হককে রোগীসেবা না দিয়ে মোবাইল ফোন ও জমির দলিল নিয়ে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়। অভিযোগ রয়েছে জরুরি বিভাগে চিকিৎসক ও কর্মচারীরা দায়িত্বে অবহেলা করে ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ত থাকেন, ফলে রোগীরা হয়রানির শিকার হন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক রোগী জানান,
“জরুরি বিভাগে গেলে সময়মতো চিকিৎসক পাওয়া যায় না। অনেকে রোগীকে দাঁড়িয়ে রেখে নিজেদের কাজে ব্যস্ত থাকেন। সাংবাদিকদের সাথে যেভাবে আচরণ করা হয়েছে, রোগীদের সাথেও প্রায়ই এমন হয়।”
অভিযুক্ত চিকিৎসক ও কর্মীদের বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম বলেন,এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরে তিনি সাংবাদিকদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন।