শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

চাঁদাবাজদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ পদ্মাপারের বাসিন্দা

চাঁদাবাজদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ পদ্মাপারের বাসিন্দা

চাঁদাবাজদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ পদ্মাপারের বাসিন্দা


কুষ্টিয়া অঞ্চলের পদ্মা নদী এখন চাঁদাবাজি, বালুমহল দখল, অবৈধ বালু উত্তোলন, চরের জমি দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অপরাধীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। চারটি গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে নদীজুড়ে দাপট দেখাচ্ছে। ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে চরের সাধারণ বাসিন্দা কেউই এই সন্ত্রাসী কার্যক্রম থেকে রেহাই পাচ্ছেন না।স্থানীয়রা জানান, পদ্মার বিশাল বালুর রাজ্য এখন যেন গনিমতের মাল। কোটি কোটি টাকা মূল্যের বালু নিয়ে গ্রুপগুলোর মধ্যে প্রায়ই দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। গত ৯ অক্টোবর ভোরে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার পদ্মাপাড়ের গ্রাম বেড় কালোয়া জেলেপাড়া থেকে কালোয়া বাজার পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পদ্মার দুই গ্রুপের মধ্যে দেড় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়। এতে আকরাম হোসেন (৩১), রাজিব শেখ (৩২), আলামিন মণ্ডল (৩৩), রুহুল আমীন (৫২), আশিকুর রহমান (৩২), তাজিম শেখ (৫০), কুদ্দুস শেখ (৬৫), দুলাল হোসেন (৪২) ও খুতে শেখ (৩৫) আহত হন।
 
সংঘর্ষের পর নদী থেকে এসে উভয় গ্রুপ পাল্টাপাল্টি হামলা ও লুটপাট চালায়। এ ঘটনায় উভয় পক্ষ কুমারখালী থানায় পাঁচটি মামলা দায়ের করে।
 
ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, প্রতিদিনই সশস্ত্র অবৈধ বাহিনীর সদস্যরা স্পিডবোট নিয়ে নদীপথে টহল দেয় এবং বিভিন্ন স্থানে কার্গো মালিকদের কাছ থেকে নামে-বেনামে চাঁদা আদায় করে। ট্রলার চালকেরা জানান, গ্রুপগুলো প্রতিদিন অস্ত্রের মুখে জোর করে তাদের দিয়ে বালু তুলিয়ে নেয়। নির্দেশ না মানলে কঠোর শাস্তির হুমকিও দেয়া হয়।
 
নদীপাড়ের বাসিন্দাদের অভিযোগ, চরে চাষাবাদ করতে হলেও প্রথমে অবৈধ বাহিনীকে টাকা দিয়ে জমি ‘ভাড়া’ নিতে হয়। টাকা না দিলে তারা ফসল চাষে বাধা দেয়।