শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

জামালপুর কারাগারে থু থু ফেলা নিয়ে সংঘর্ষ হাজতির মৃত্যু

জামালপুর কারাগারে থু থু ফেলা নিয়ে সংঘর্ষ হাজতির মৃত্যু

জামালপুর কারাগারে থু থু ফেলা নিয়ে সংঘর্ষ হাজতির মৃত্যু

জামালপুর জেলা কারাগারে সামান্য থু থু ফেলাকে কেন্দ্র করে দুই হাজতির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় মো. পাগলা হজরত (২৫) নামে এক হাজতি গুরুতর আহত হওয়ার একদিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) মারা গেছেন।
​বৃহস্পতিবার দুপুরে কারাগারের অভ্যন্তরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ঢামেক হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
​যেভাবে ঘটলো ঘটনা
​কারাগার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার আনুমানিক বেলা ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে কারাগারের ভেতরে কাশি ও থু থু ফেলাকে কেন্দ্র করে হাজতি মো. পাগলা হজরতের সঙ্গে অপর হাজতি মো. রহিদুর মিয়ার (৪০) মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।
​একপর্যায়ে রহিদুর মিয়া শৌচাগারের দরজার একটি কাঠের টুকরা সংগ্রহ করে পাগলা হজরতের মাথায় পরপর বেশ কয়েকবার আঘাত করেন। আঘাতে পাগলা হজরত গুরুতরভাবে আহত হন।
​দায়িত্বরত কারারক্ষী ও অন্যান্য হাজতিরা আহত মো. পাগলা হজরতকে উদ্ধার করে প্রথমে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। শুক্রবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
​নিহত মো. পাগলা হজরত দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চেংটিমারি গ্রামের মো. ইমান হোসেনের সন্তান ছিলেন এবং তিনি বকশীগঞ্জ থানার একটি জিআর মামলার আসামি হিসেবে কারাগারে বন্দি ছিলেন। হামলাকারী অপর হাজতি মো. রহিদুর মিয়া (৪০) বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালপুর বালুরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা।
​কারা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
​জামালপুর জেলা কারাগারের জেলার লিপি রানী সাহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ময়নাতদন্ত শেষে ঢাকা জেলা কারাগার থেকে পাগলা হজরতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। সংঘর্ষে জড়িত অপর হাজতি রহিদুর মিয়া বর্তমানে জামালপুর কারাগারেই আছেন।