শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আবারও ভুয়া শিক্ষার্থী আটক

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আবারও ভুয়া শিক্ষার্থী আটক

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আবারও ভুয়া শিক্ষার্থী আটক


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও এক ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আটক ব্যক্তির নাম সীমান্ত ভৌমিক (১৯)। খুলনা সদরের এই যুবক ২০২৪ সাল থেকে নিজেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দিয়ে ক্যাম্পাসে অবস্থান করছিলেন বলে জানা গেছে।মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকা থেকে তাকে ধরে প্রক্টরিয়াল বডির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ইখলাস বিন সুলতান বলেন, ‘সীমান্তের সঙ্গে তার পরিচয় হয়েছিল সাধারণ শিক্ষার্থীর মতোই। তবে আচরণগত অসঙ্গতি ও বিভিন্নজনের কাছে টাকা ধার চাওয়ার ঘটনা সন্দেহ তৈরি করে।’

তিনি বলেন, ‘গতকাল শুনলাম সীমান্ত আরেকজনের কাছে টাকা চেয়েছে। মঙ্গলবার সকালে দেখা করে জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে যে সে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নয়।’

দর্শন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাখাওয়াত হোসেন জানান, ২০২৪ সালে রেল ক্রসিং এলাকায় তাদের প্রথম পরিচয় হয়। দক্ষিণ ক্যাম্পাসে পাশাপাশি ভাড়া বাসায় থাকতেন তারা। তার মাধ্যমেই সীমান্তের পরিচয় হয় দোকানদার ও অন্যান্য শিক্ষার্থীর সঙ্গে।

সাখাওয়াত বলেন, ‘সে অনেকের কাছ থেকে টাকা ধার নিত। আজ সন্দেহজনক আচরণের কারণে আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করি। সে মেরিন সায়েন্সের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী পরিচয় দিলেও বিভাগে কেউ তাকে চেনে না। এরপর আমরা তাকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসি।’