শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
রাশিয়ার শীর্ষ জেনারেলকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ কন্যা সন্তানের পিতা হলেন ব্যাচেলার পয়েন্ট এর কাবিলা ৷ চবি মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার,শালিখায় শেষকৃত্য সম্পন্ন সন্ত্রাসীদের বিচার ও শাস্তির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শ্রীমঙ্গলে : আসিফ মাহমুদ চট্টগ্রামে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে শিশু নির্বাচনের দায়িত্বে কোনো আওয়ামী লীগের দোসর নেই, সবাই সৎ অফিসার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উত্তরায় কাঁচাবাজারে আগুন, ভোট নিয়ে অন্য দেশের মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই: রিজওয়ানা বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে চলচিত্র নির্মান করতে চান রায়হান রাফি। শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লো রাশিয়া

হিজাব না পরায় ইরানে ম্যারাথন আয়োজকদের গ্রেপ্তার

হিজাব না পরায় ইরানে ম্যারাথন আয়োজকদের গ্রেপ্তার

হিজাব না পরায় ইরানে ম্যারাথন আয়োজকদের গ্রেপ্তার

ইরানের কিশ দ্বীপে একটি জনপ্রিয় দৌড় প্রতিযোগিতায় হিজাব ছাড়াই নারীদের অংশ নেওয়ার ছবি প্রকাশের পর এর দুই প্রধান আয়োজককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দেশটির বিচার বিভাগ এই খবর নিশ্চিত করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন কিশ মুক্তাঞ্চলের কর্মকর্তা এবং অন্যজন প্রতিযোগিতা আয়োজনকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী।

এই ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন ইরানের অতি রক্ষণশীল মহল বাধ্যতামূলক হিজাব আইন যথাযথভাবে প্রয়োগে ব্যর্থতার অভিযোগে কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করে আসছে। ১৯৮০-এর দশকের শুরুর দিকে ইরান নারীদের জন্য হিজাব বাধ্যতামূলক করে।

বিচার বিভাগের ওয়েবসাইট মিজানের প্রতিবেদন অনুসারে, আয়োজকদের আগেই "দেশের প্রচলিত আইনকানুন, ধর্মীয় ও সামাজিক নীতি" মানার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও এমনভাবে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়েছে, যা 'সামাজিক শালীনতা লঙ্ঘন করেছে'।

গত কয়েক বছর ধরে, বিশেষ করে ২০২২ সালে মাশা আমিনি (যিনি যথাযথভাবে হিজাব না পরার অভিযোগে নীতি পুলিশের হেফাজতে মারা যান) মৃত্যুর পর দেশব্যাপী বিক্ষোভের পর থেকে ইরানে অনেক নারী প্রকাশ্যেই হিজাব আইন লঙ্ঘন করছেন।

চলতি সপ্তাহে আইনপ্রণেতাদের পক্ষ থেকে হিজাব আইন প্রয়োগে ব্যর্থতার অভিযোগ ওঠার পর দেশটির প্রধান বিচারপতি গোলাম হোসেন মোহসেনি এজেই আইনটি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। তবে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সরকার হিজাব আইন লঙ্ঘনকারী নারীদের কঠোর শাস্তির আদেশসংবলিত পার্লামেন্টের একটি আইন অনুমোদন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, কিশ দ্বীপের এই দৌড় প্রতিযোগিতায় প্রায় ৫ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছিলেন।